সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
৯:২৮ এএম, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

নাসার নজরুল ইসলাম মজুমদারকে দুদকের দুই দিনের জেলগেট জিজ্ঞাসাবদে অনুমতি

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও নাসা গ্রুপের কর্ণধার নজরুল ইসলাম মজুমদারকে দুই দিনের জন্য জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি পেয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের ব্যাপক অভিযোগের প্রেক্ষিতে। ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন […]

নাসার নজরুল ইসলাম মজুমদারকে দুদকের দুই দিনের জেলগেট জিজ্ঞাসাবদে অনুমতি
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও নাসা গ্রুপের কর্ণধার নজরুল ইসলাম মজুমদারকে দুই দিনের জন্য জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি পেয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের ব্যাপক অভিযোগের প্রেক্ষিতে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, নজরুল ইসলাম মজুমদারকে পৃথক দুই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়, যা শুনানি শেষে মঞ্জুর করা হয়েছে।

গত বছরের ১ অক্টোবর রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া নজরুল বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে, যেখানে তিনি এবং অন্য আসামিরা এক্সিম ব্যাংকের বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত।

প্রথম মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা একযোগে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণের মাধ্যমে এক্সিম ব্যাংকের ৮৫৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন ও বণ্টন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এই টাকার অবৈধ উৎস, মালিকানা গোপন রাখার জন্য বিভিন্ন জালিয়াতি ও স্থানান্তর করা হয়েছে। এই মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অন্য মামলায় ৩০ জনের বিরুদ্ধে ৬১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ মামলাতেও ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণের মাধ্যমে ঋণ প্রদানের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে নজরুলের জিজ্ঞাসাবাদ অপরিহার্য বলে আদালত বিবেচনা করেছে।

এই জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ অনুমতির মাধ্যমে দুদক তদন্ত কাজকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারবে, যা দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও সততার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই মামলা দেশের অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ও ব্যাংকিং খাতের বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।

পাঠকদের জন্য এই খবরের গুরুত্ব হলো—দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হলে দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশ উন্নত হবে, যা সবার জন্য সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করবে। একই সঙ্গে, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই ধরনের তদন্ত অপরিহার্য।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ