সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

NYC
১:১২ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

নিউইয়র্কের যৌন নির্যাতনের দায়ে দণ্ডিত চিকিৎসক হাসানের মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের এক চিকিৎসকের নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে, যিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরীকে দীর্ঘদিন প্রলোভনের মাধ্যমে যৌন নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হাসান শেরজিল খান ২০১৬ সাল থেকে কারাগারে রয়েছেন। সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কের আইনজীবী জে ক্লেটন তার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় তিনি […]

নিউইয়র্কের যৌন নির্যাতনের দায়ে দণ্ডিত চিকিৎসক হাসানের মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের এক চিকিৎসকের নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে, যিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরীকে দীর্ঘদিন প্রলোভনের মাধ্যমে যৌন নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হাসান শেরজিল খান ২০১৬ সাল থেকে কারাগারে রয়েছেন। সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কের আইনজীবী জে ক্লেটন তার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় তিনি নিজের অপরাধসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছিলেন।

মার্কিন বিচার বিভাগের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রেট শুমেট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব কোনো অপরাধীকে তার গুরুতর অপরাধের দায় থেকে রক্ষা করতে পারে না। নাগরিকত্বের আবেদনকালে তথ্য গোপন করা হলে তা খুঁজে বের করে বাতিল করা হবে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ৩৮ বছর বয়সী খান ২০১২ সালের আগস্টে নাগরিকত্বের আবেদন করেন। এর কিছুদিন আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে লন্ডনে গিয়ে এক কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাকে প্রভাবিত করে অনলাইনে অশালীন কর্মকাণ্ডে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, যা নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রায় দুই বছর পর। ২০১৬ সালে আদালতে দোষ স্বীকার করলে তাকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিচার চলাকালে ভুক্তভোগী জানান, এই নির্যাতনের কারণে তার মানসিক ও শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। তিনি হতাশা, বিভ্রান্তি, খাদ্যাভ্যাসজনিত সমস্যা ও আত্মক্ষতির প্রবণতায় ভুগছিলেন এবং পড়াশোনাতেও পিছিয়ে পড়েন।

বিচার বিভাগ জানিয়েছে, নাগরিকত্ব নেওয়ার সময় খান নৈতিকতার শর্ত পূরণ করেননি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছিলেন। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে শতাধিক এমন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের এক মুখপাত্র জানান, অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে পূর্ণ জবাবদিহি নিশ্চিত করার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ