নিউইয়র্কে ট্যাক্সি ও রাইডশেয়ার চালকদের ঘিরে প্রতারণার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে ট্যাক্সি অ্যান্ড লিমোজিন কমিশন (টিএলসি) লাইসেন্সধারী গাড়ি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্র, যা চালকদের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি এমন একটি ঘটনার শিকার হন রাইডশেয়ার চালক নায়মুর রহমান সাকিব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, তিনি একটি টিএলসি […]
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে ট্যাক্সি ও রাইডশেয়ার চালকদের ঘিরে প্রতারণার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে ট্যাক্সি অ্যান্ড লিমোজিন কমিশন (টিএলসি) লাইসেন্সধারী গাড়ি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্র, যা চালকদের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সম্প্রতি এমন একটি ঘটনার শিকার হন রাইডশেয়ার চালক নায়মুর রহমান সাকিব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, তিনি একটি টিএলসি লাইসেন্সধারী গাড়ি খুঁজছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ২০২৩ সালের একটি এসইউভি ভাড়ার প্রস্তাব দেন।
সাকিব জানান, তিনি মূলত উবার এক্স বা এক্সএল ক্যাটাগরির জন্য উপযোগী গাড়ি খুঁজছিলেন। তখন ওই ব্যক্তি তাকে ভবিষ্যতে পছন্দের গাড়ি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আপাতত অন্য একটি গাড়ি ব্যবহারের প্রস্তাব দেন।
প্রাথমিকভাবে অনলাইনে অর্থ লেনদেনের কথা থাকলেও নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানোর পর নগদ অর্থ দিতে বলা হয়। আচরণ ও কাগজপত্র দেখানোর আশ্বাস দিয়ে বিশ্বাস তৈরি করার পর টাকা নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতারক কৌশল বদলে ফেলে। গাড়ির কিছু সমস্যা দেখানোর কথা বলে সে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পরে পুলিশ এসে গাড়ির নম্বর প্লেট যাচাই করলে দেখা যায়, সেটি অন্য একটি গাড়ির সঙ্গে নিবন্ধিত। এতে পুরো ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত প্রতারণা হিসেবে স্পষ্ট হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে চালকদের আরও সতর্ক হতে হবে। লেনদেনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ক্যামেরা আছে এমন জায়গা বেছে নেওয়া, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে নগদ অর্থ আদান-প্রদান এড়িয়ে চলা এবং গাড়ির নিবন্ধন ও মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।
তারা আরও সতর্ক করে বলেন, সচেতনতার অভাব থাকলে এসব প্রতারণা শুধু আর্থিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।