সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
৭:৩৪ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনে ভোট পড়তে পারে ৬৫–৭০ শতাংশ: ইসি আনোয়ারুল

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি হতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের মধ্যে যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তাতে মোট ভোট পড়ার হার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে […]

নির্বাচনে ভোট পড়তে পারে ৬৫–৭০ শতাংশ: ইসি আনোয়ারুল

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি হতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের মধ্যে যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তাতে মোট ভোট পড়ার হার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি, যার মধ্যে প্রায় ৪ কোটি তরুণ ভোটার। এই বিপুল সংখ্যক তরুণ ভোটারকে কেন্দ্রমুখী করতে নির্বাচন কমিশন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে নতুন ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার আগ্রহ অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। যদি এই ৪ কোটি তরুণ ভোটারের একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়, তাহলে সামগ্রিক ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

নারী ভোটারদের প্রসঙ্গে তিনি জানান, মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকই নারী। আগের নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার তাদের আগ্রহ আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই উদ্দীপনা যদি ভোটের দিনও বজায় থাকে, তবে তা মোট ভোটের শতাংশ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সুনির্দিষ্টভাবে ভোটের হার কত হবে তা এখনই বলা কঠিন। তবে অতীত অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি এবং ভোটারদের মধ্যে বর্তমান উৎসাহ বিবেচনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে ধারণা করছেন, এবারের নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে আছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার মানসিকতা তৈরি হয়েছে, যা এবারের নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ