পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আবারও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন না। বুধবার নিজের দলের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি কড়া ভাষায় বলেন, তাকে যদি সরাতেই হয় তাহলে বরখাস্ত করা হোক—সেই দিনটিকে তিনি ‘কালো দিন’ হিসেবে দেখতে চান। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন মমতা। তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে বিজেপি […]
ছবি: সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আবারও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন না। বুধবার নিজের দলের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি কড়া ভাষায় বলেন, তাকে যদি সরাতেই হয় তাহলে বরখাস্ত করা হোক—সেই দিনটিকে তিনি ‘কালো দিন’ হিসেবে দেখতে চান।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন মমতা। তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে বিজেপি জয় পেয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার বিচার চেয়ে আদালতে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
সাধারণত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করে নতুন সরকার গঠনের পথ তৈরি করেন। কিন্তু মমতার এ অবস্থানের কারণে সাংবিধানিক অচলাবস্থার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলে এখন তাকে বরখাস্ত করা কিংবা রাষ্ট্রপতির শাসন জারির সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।
এদিকে রাজ্যে সহিংসতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিভিন্ন জায়গায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার নিউমার্কেট এলাকাসহ কয়েকটি স্থানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় অন্তত চারজনের মৃত্যুর তথ্য সামনে এসেছে।
তবে এসব অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে বিজেপি। দলটির দাবি, তাদের কর্মীরা সহিংসতার সঙ্গে জড়িত নয়; বরং তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজনই বিজেপির পরিচয়ে এসব ঘটনা ঘটিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।
বিজেপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং অস্থিরতা তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে দলটি।