রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, বিদ্যমান জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন ঘাটতির প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা করেই রাজধানীতে এই সীমিত লোডশেডিং […]
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, বিদ্যমান জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন ঘাটতির প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা করেই রাজধানীতে এই সীমিত লোডশেডিং কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, আগের দিন দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট, ফলে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি থাকায় লোডশেডিং করতে হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষি খাতে সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এজন্য গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গিয়ে শহরেও লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে শহর-গ্রামের মধ্যে বৈষম্য না থাকে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১ হাজার ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে প্রতিদিনই বড় ধরনের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে।
এছাড়া দুটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এসব কেন্দ্র চালু হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
সরকারি ও বিরোধী দলের আলোচনার ভিত্তিতে সংকট মোকাবিলায় একটি ১০ সদস্যের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।