বিশ্বের দুই বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন এ মন্তব্য করেন। শনিবার তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি ক্রেমলিনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। ক্রেমলিন […]
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের দুই বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন এ মন্তব্য করেন। শনিবার তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি ক্রেমলিনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
ক্রেমলিন প্রকাশিত বার্তায় পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্মই নয়, বরং বিশ্ব ইতিহাসেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তাঁর মতে, এ ঐতিহাসিক ঘটনা আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক বিকাশের ধারায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
পুতিন আরও স্মরণ করিয়ে দেন, ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে উত্তর আমেরিকার উপনিবেশগুলোর স্বাধীনতার লড়াইয়ের সময় রাশিয়া তাদের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন জানিয়েছিল। তাঁর ভাষায়, সেই সময় রাশিয়ার অবস্থান ছিল স্বাধীনতার সংগ্রামের পক্ষে।
তিনি বলেন, দুই বিশ্বযুদ্ধের সময়ও মস্কো ও ওয়াশিংটন মিত্র ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে পুতিন উল্লেখ করেন, “আমরা একসঙ্গে মানবজাতিকে নাৎসিবাদের বিভীষিকা থেকে মুক্ত করেছি এবং আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছি।”
শুভেচ্ছা বার্তায় রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আজকের বাস্তবতায় রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের দুই বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। তাই তাদের ওপর বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার বিশেষ দায়িত্ব বর্তায়।
পুতিন আশা প্রকাশ করেন, মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যদি গঠনমূলক, সমমর্যাদাভিত্তিক এবং পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তাহলে তা শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, বরং সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বার্থেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে পুতিনের এই বার্তা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন আলোচনা তৈরি করতে পারে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি