সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
১১:১৮ এএম, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

ফেব্রুয়ারিতেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রধান উপদেষ্টার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি

বাংলাদেশের আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে বলে আবারও নিশ্চিত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তত্ত্বাবধানে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। নির্বাচনের সময়সূচী নিয়ে নিশ্চিততা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট করে জানান, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে এবং এটি […]

ফেব্রুয়ারিতেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রধান উপদেষ্টার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশের আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে বলে আবারও নিশ্চিত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তত্ত্বাবধানে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

নির্বাচনের সময়সূচী নিয়ে নিশ্চিততা

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট করে জানান, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে এবং এটি হবে উৎসবমুখর, গণতান্ত্রিক ও সুষ্ঠু পরিবেশে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। তার জন্য যা যা করতে হয়, সাধ্য অনুযায়ী আমরা সব কিছু করব। এর সঙ্গে কোনো কম্প্রোমাইজ করা হবে না।’ এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ মনোযোগ ও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান

বৈঠকে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি তাঁর আহ্বানও জানান। তিনি বলেন, ‘আপনারা যেভাবে সবাই মিলে জাতীয় সনদ তৈরি করেছেন, সরকারের দায়িত্ব হলো উৎসবমুখর নির্বাচন করে দেওয়া।’ অর্থাৎ, দলগুলোকে একতাবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ ও সক্রিয়ভাবে নির্বাচনী পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্বাচন আয়োজনের গুরুত্ব ও প্রভাব

বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য নির্বাচন সময়মতো এবং সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত্য এবং সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকা এই নির্বাচনের সফলতার প্রধান ভিত্তি। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের দিকে এগিয়ে যাবে, যা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের পথ প্রসারিত করবে।

এই ঘোষণা বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য একটি বড় আশা ও প্রত্যাশার বার্তা বয়ে এনেছে। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং জনগণের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত হবে। এছাড়া, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমে যাবে এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ