সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৭:০৭ পিএম, ১৮ জুন ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের

দীর্ঘ কয়েক দশক পর বঙ্গোপসাগরে আবারও সাবমেরিন উপস্থিতি জোরদারের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর নতুন ‘হাঙ্গর’ শ্রেণির সাবমেরিনগুলো দেশটির সামুদ্রিক কার্যক্রমকে আরব সাগরের বাইরে ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সম্প্রসারণের সক্ষমতা দেবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে চীনে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনপ্রাপ্ত প্রথম হাঙ্গর শ্রেণির সাবমেরিনটি সম্প্রতি পাকিস্তানের করাচি বন্দরে পৌঁছেছে। এটি […]

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দীর্ঘ কয়েক দশক পর বঙ্গোপসাগরে আবারও সাবমেরিন উপস্থিতি জোরদারের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর নতুন ‘হাঙ্গর’ শ্রেণির সাবমেরিনগুলো দেশটির সামুদ্রিক কার্যক্রমকে আরব সাগরের বাইরে ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সম্প্রসারণের সক্ষমতা দেবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে চীনে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনপ্রাপ্ত প্রথম হাঙ্গর শ্রেণির সাবমেরিনটি সম্প্রতি পাকিস্তানের করাচি বন্দরে পৌঁছেছে। এটি পাকিস্তান নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পাকিস্তান নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের এই সাবমেরিনগুলো কেবল উপকূলীয় নিরাপত্তা নয়, বরং গভীর সমুদ্রে দীর্ঘমেয়াদি টহল ও কৌশলগত উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্যও ব্যবহৃত হবে। পাকিস্তান নৌবাহিনীর বহর কমান্ডার কমোডর ওমর ফারুক বলেছেন, দেশটির পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবিষ্যতে হাঙ্গর শ্রেণির মোট আটটি সাবমেরিন নৌবহরে যুক্ত করা হবে।

চীন থেকে পাকিস্তানে ফেরার পথে শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ ‘পিএনএস তৈমুর’-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কমোডর ওমর ফারুক নতুন সাবমেরিনকে পাকিস্তান নৌবাহিনীর জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে আখ্যা দেন। তার মতে, এই সক্ষমতা পাকিস্তানের সামুদ্রিক কৌশলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় কার্যকর উপস্থিতি বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই উদ্যোগ দেশটির নৌ-কৌশলগত চিন্তায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এতদিন মূলত আরব সাগরকেন্দ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখন ইসলামাবাদ ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

এদিকে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের নতুন সাবমেরিন বহর তাৎক্ষণিকভাবে আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনবে না। কারণ ভারতীয় নৌবাহিনী বর্তমানে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন, বিমানবাহী রণতরী, দীর্ঘপাল্লার সামুদ্রিক নজরদারি ব্যবস্থা এবং উন্নত যুদ্ধ সক্ষমতার দিক থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।

তবে তাদের মতে, পাকিস্তানের সাবমেরিন উপস্থিতি বৃদ্ধি ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটগুলোতে নজরদারি এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় বাড়তি গুরুত্ব দিতে হতে পারে।

প্রতিবেদনগুলোতে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময়কার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। সে সময় পাকিস্তানি সাবমেরিন ‘পিএন

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ