Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৩:৩২ পিএম, ২৩ মে ২০২৬

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডার’ গড়তে যাচ্ছে ভারত: অমিত শাহ

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। শুক্রবার (২২ মে) নয়াদিল্লিতে বিএসএফের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘আগামী এক বছরের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে সীমান্ত নিরাপত্তার […]

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডার’ গড়তে যাচ্ছে ভারত: অমিত শাহ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

শুক্রবার (২২ মে) নয়াদিল্লিতে বিএসএফের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘আগামী এক বছরের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে সীমান্ত নিরাপত্তার একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।’

তিনি জানান, ড্রোন, রাডার, স্মার্ট ক্যামেরা ও উন্নত নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার সীমান্তকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

অমিত শাহ বলেন, ‘ভারত সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের সীমান্তকে স্মার্ট বর্ডারে রূপান্তরের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। আগামী এক বছরের মধ্যে সব ধরনের প্রযুক্তি একত্র করে দুর্ভেদ্য সীমান্ত নিরাপত্তা গড়ে তোলার কাজ চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘খুব শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ড্রোন, রাডার, আধুনিক ক্যামেরা ও অন্যান্য উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন স্মার্ট বর্ডার প্রকল্প চালু করবে। এটি বাস্তবায়িত হলে বিএসএফের কাজ আরও সহজ ও শক্তিশালী হবে।’

প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার সদস্যের বিএসএফ বাহিনী ভারতের পশ্চিমে পাকিস্তান ও পূর্বে বাংলাদেশের সীমান্ত পাহারা দেয়। ১৯৬৫ সালে বাহিনীটি গঠন করা হয়।

অমিত শাহ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ও ‘উদ্বেগের কারণ’ বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এসব সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ, গবাদিপশু পাচার, জাল ভারতীয় মুদ্রা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের মতো হুমকি রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের হুমকি শনাক্ত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সীমান্তের ওপার থেকে কৃত্রিম জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের যে চেষ্টা চলছে, তা ঠেকানো আমাদের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার শুধু অনুপ্রবেশ বন্ধই নয়, বরং দেশে থাকা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

অমিত শাহ আরও জানান, সীমান্ত নিরাপত্তায় এখন রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী, সেনাবাহিনী, মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো, গোয়েন্দা সংস্থা ও রাজ্য প্রশাসনের সমন্বিত কাজ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সমন্বয় জোরদারে খুব শিগগিরই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ