Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:৩০ পিএম, ২০ মে ২০২৬

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর, অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যছাড়া করবেন শুভেন্দু সরকার

পশ্চিমবঙ্গে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিকেলে নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে রাজ্যের ২৭ কিলোমিটার জমি সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, সিএএ-র আওতায় না […]

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর, অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যছাড়া করবেন শুভেন্দু সরকার

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

পশ্চিমবঙ্গে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিকেলে নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে রাজ্যের ২৭ কিলোমিটার জমি সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, সিএএ-র আওতায় না পড়া ব্যক্তিদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গণ্য করা হবে। তার ভাষায়, এ ধরনের ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে এবং পরে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত থানাগুলোতে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে এবং রাজ্য পুলিশকেও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার কথায়, “ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট”—এই নীতিতেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নবান্নে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রাজ্যের ২৭ কিলোমিটার জমি আনুষ্ঠানিকভাবে বাহিনীর হাতে হস্তান্তর করা হয় বলে জানানো হয়। এই জমি সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করতে ব্যবহার করা হবে বলে সরকারি পর্যায়ে দাবি করা হয়েছে।

তবে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরেই সিএএ কার্যকরের বিরোধিতা করে আসছে। এর আগে রাজ্যের আগের প্রশাসন আইনটি কার্যকর না করার অবস্থানে ছিল বলেও রাজনৈতিক সূত্রগুলো উল্লেখ করেছে।

সিএএ সম্পর্কে আগের ব্যাখ্যায় রয়টার্স জানিয়েছিল, আইনটি বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আসা নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠীর জন্য নাগরিকত্বের পথ সহজ করে। তবে আইনটি শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্যে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হয়েছে।

নতুন এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়বে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, এটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং রাজ্যের ক্ষমতাসীন জোটের রাজনৈতিক বার্তাও বটে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ