সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:০৪ পিএম, ২৩ মার্চ ২০২৬

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দরপতন, সামনে কী হতে পারে

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। সর্বশেষ তথ্যে, সোনার দাম প্রায় ২.৩৬ শতাংশ এবং রুপার দাম ৪.৫২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক অর্থনৈতিক ও বৈশ্বিক প্রভাব একসঙ্গে কাজ করায় এই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ডলারের শক্ত অবস্থান মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়ায় সোনা ও রুপা কেনা অন্যান্য মুদ্রার […]

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দরপতন, সামনে কী হতে পারে

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। সর্বশেষ তথ্যে, সোনার দাম প্রায় ২.৩৬ শতাংশ এবং রুপার দাম ৪.৫২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক অর্থনৈতিক ও বৈশ্বিক প্রভাব একসঙ্গে কাজ করায় এই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

ডলারের শক্ত অবস্থান

মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়ায় সোনা ও রুপা কেনা অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের জন্য তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। যেহেতু আন্তর্জাতিক বাজারে এই ধাতুগুলোর লেনদেন ডলারে হয়, তাই ডলারের দাম বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই চাহিদা কমে যায়।

বন্ডে বিনিয়োগের আকর্ষণ

মার্কিন ট্রেজারি বন্ড-এর সুদহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সোনা থেকে সরে গিয়ে বন্ডে ঝুঁকছেন। কারণ সোনা ধারণ করলে সরাসরি কোনো সুদ পাওয়া যায় না, কিন্তু বন্ডে নিয়মিত রিটার্ন পাওয়া সম্ভব।

ভূরাজনীতি ও মূল্যস্ফীতি

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে করে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা আবার সোনার দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

মুনাফা তুলতে বিক্রি

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর অনেক বিনিয়োগকারী এখন লাভ তুলে নিচ্ছেন। বাজারে ‘ওভারবট’ অবস্থার কারণে বিক্রির চাপ আরও বেড়েছে।

সামনে কী হতে পারে

বিশ্লেষকদের দৃষ্টি এখন গুরুত্বপূর্ণ কিছু টেকনিক্যাল স্তরের দিকে। সোনার দাম যদি প্রতি আউন্স ৪,৪৯৪ ডলারের নিচে নেমে যায়, তাহলে স্বল্পমেয়াদে আরও বড় দরপতনের ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে। একইভাবে রুপার দাম ৬৮ ডলারের নিচে গেলে বিক্রির চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এই পতন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য আবার বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ