ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ‘আমার ছোট বোন’ বলে সম্বোধন করেছেন। ভারত-জাপানের ষোড়শ বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন শেষে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে দুই নেতার ব্যক্তিগত সৌহার্দ্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌথ বিবৃতিতে মোদি বলেন, “মহামান্য এবং আমার ছোট বোন, প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি।” এ […]
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ‘আমার ছোট বোন’ বলে সম্বোধন করেছেন। ভারত-জাপানের ষোড়শ বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন শেষে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে দুই নেতার ব্যক্তিগত সৌহার্দ্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌথ বিবৃতিতে মোদি বলেন, “মহামান্য এবং আমার ছোট বোন, প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি।” এ সময় তিনি জাপানের প্রতিনিধি দল, আমন্ত্রিত অতিথি এবং সংবাদমাধ্যমকর্মীদের স্বাগত জানান। পাশাপাশি বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে তাকাইচির প্রথম ভারত সফরকে স্বাগত জানান তিনি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিও দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন। মোদির “সুন্দর ছোট বোন” সম্বোধনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভাই-বোনের সম্পর্কের চেতনায় ভারত ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি জানান, বিভিন্ন কৌশলগত ইস্যুতে ভারত ও জাপানের অবস্থান প্রায় অভিন্ন। তিনি বলেন, দুই দেশ কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে এবং সহযোগিতার অগ্রাধিকার খাতগুলোতে এগিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।
তাকাইচি আরও বলেন, জাপানের হালনাগাদ মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক নীতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘মহাসাগর’ উদ্যোগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাঁর ভাষায়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে দুই দেশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, শীর্ষ সম্মেলনে দুই নেতার এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাষা শুধু কূটনৈতিক উষ্ণতাই নয়, বরং ভারত-জাপান সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। দুই দেশের নিরাপত্তা, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও আঞ্চলিক কৌশলগত সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও গভীর হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।