লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে আট বছর ধরে চলা মামলায় খালাস পেয়েছেন গায়ক আসিফ আকবর। সোমবার, ৯ মার্চ, ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “অভিযোগটি ছিল মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত” এবং দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে […]
ছবি: সংগৃহীত
লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে আট বছর ধরে চলা মামলায় খালাস পেয়েছেন গায়ক আসিফ আকবর। সোমবার, ৯ মার্চ, ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “অভিযোগটি ছিল মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত” এবং দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞাপন
আসিফ আকবর বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, এটা একটি মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত অভিযোগ ছিল। রোজার মাসেই মামলার সিকোয়েন্স তৈরি হয়েছিল, আবার রোজার মাসেই রায় পেলাম। আমি সন্তুষ্ট, খুশি। আট বছর ধরে নিয়মিত আদালতে আসছি। কোনো প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করিনি, রাজনৈতিক ইস্যু বানাতে চাইনি। আমি শুধু ন্যায়বিচার চেয়েছি এবং লড়াই করেছি।”
সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আসিফ আকবরকে খালাস দেওয়া হয়। আসিফ বলেন, “আমি আমার আগের মামলাগুলোও লড়েছি, এজন্যই আজ খালাস পেয়েছি।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমি একজন আইনজীবীর সন্তান। জন্ম থেকেই আদালতের নিয়মকানুনের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। তাই এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে খুব কথা বলিনি। দীর্ঘ আট বছর আমার পরিবার, ভক্ত ও দেশের মানুষ—যারা আমাকে ভালোবাসে—তারা কষ্টে ছিল। আজ আদালতের রায়ে মুক্তি পেয়েছি, যা আমার ও পরিবারের জন্য অনেক আনন্দের।”
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৬ জুন রাজধানীর পান্থপথে আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট কার্যালয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তারের সময় আসিফের অফিস কক্ষ থেকে চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়।
এরপর, লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই রাজধানীর তেজগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) টেবিলের ২৪ (ক) ধারায় দায়ের করা হয়েছিল।