ইরানকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত এই সংঘাত ধীরে ধীরে বহুমুখী যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। প্রতিদিনই বাড়ছে নিহতের সংখ্যা, আর সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন অঞ্চল। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ইরানেই। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ১,৯৩৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এতে স্পষ্ট, যুদ্ধের মূল চাপটি বহন করছে দেশটি নিজেই। […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত এই সংঘাত ধীরে ধীরে বহুমুখী যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। প্রতিদিনই বাড়ছে নিহতের সংখ্যা, আর সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন অঞ্চল।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ইরানেই। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ১,৯৩৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এতে স্পষ্ট, যুদ্ধের মূল চাপটি বহন করছে দেশটি নিজেই।
লেবাননেও পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। সেখানে নিহতের সংখ্যা ১,১০০ ছাড়িয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় সংঘাতটি সীমান্ত পেরিয়ে আরও গভীরে ছড়িয়ে পড়ছে।
ইসরাইলে তুলনামূলক কম হলেও উল্লেখযোগ্য প্রাণহানি ঘটেছে—১৮ জন নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি লেবাননের ভেতরে সংঘর্ষে আরও ৩ জন ইসরাইলি সেনার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতির আন্তর্জাতিক মাত্রাকে আরও স্পষ্ট করে।
ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের সম্পৃক্ততার ফলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির দিকে গেছে। সেখানে অন্তত ৮০ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন।
এছাড়া অন্যান্য অঞ্চলও এই সংঘাত থেকে মুক্ত নয়। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৪ জন এবং উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে, এই যুদ্ধ এখন আর একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই—বরং এটি পুরো অঞ্চলে একটি দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা