Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৫:২৫ পিএম, ১০ জুলাই ২০২৬

মসজিদে কি হনুমান চালিসা পড়ানো যাবে? প্রশ্ন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগীর

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রশ্ন তুলেছেন, মসজিদের ভেতরে কি কখনো হনুমান চালিসা পাঠের অনুমতি দেওয়া সম্ভব? একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, ২৩ বছর আগে সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দিরের বাইরে নামাজ আদায়ের সুযোগ দিয়ে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছিল। শুক্রবার (১০ জুলাই) অযোধ্যার বিকাপুরে এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বিরোধী দুই দলের […]

মসজিদে কি হনুমান চালিসা পড়ানো যাবে? প্রশ্ন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগীর

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রশ্ন তুলেছেন, মসজিদের ভেতরে কি কখনো হনুমান চালিসা পাঠের অনুমতি দেওয়া সম্ভব? একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, ২৩ বছর আগে সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দিরের বাইরে নামাজ আদায়ের সুযোগ দিয়ে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছিল।

শুক্রবার (১০ জুলাই) অযোধ্যার বিকাপুরে এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বিরোধী দুই দলের তীব্র সমালোচনা করেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, হনুমানগড়িতে নামাজ আদায়ের উদ্যোগ ছিল একটি বড় ভুল এবং এ ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

যোগী যে ঘটনার উল্লেখ করেছেন, সেটি ২০০৩ সালের নভেম্বর মাসের। সে সময় রমজান মাসে হনুমানগড়ি মন্দিরের বাইরে নামাজ আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

উত্তর প্রদেশের সাবেক পুলিশ মহাপরিচালক ও বর্তমান বিজেপি সাংসদ ব্রিজ লালও ঘটনাটির সত্যতা উল্লেখ করে বলেন, তৎকালীন সমাজবাদী পার্টি সরকারের আমলে মন্দিরের বাইরে নামাজ এবং পরে ইফতার অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে তৎকালীন ফৈজাবাদের (বর্তমান অযোধ্যা) এসএসপি রাজীব সভারওয়াল কঠোর অবস্থান নেওয়ায় মন্দির প্রাঙ্গণে নামাজ আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে মন্দির-সংলগ্ন মহন্তের বাসভবনে নামাজ আদায় করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

এই প্রসঙ্গ টেনে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “তারা হনুমানগড়িতে নামাজের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু কেউ কি কখনো জামে মসজিদের ভেতরে হনুমান চালিসা পাঠ করার কথা কল্পনাও করতে পারে? সমাজবাদী পার্টি বা কংগ্রেস কি কখনো তা করতে পারবে? যদি না পারে, তাহলে হনুমানগড়িতে কেন এমন কাজ করা হয়েছিল এবং এর জন্য দায়ী কারা?”

বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ এনে তিনি বলেন, তারা অযোধ্যার উন্নয়ন এবং রাম মন্দির নির্মাণে ধারাবাহিকভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে। এমনকি ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল এবং রামভক্তদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটেছিল বলে দাবি করেন তিনি।

যোগীর ভাষায়, কেন্দ্রে ও উত্তর প্রদেশে বিজেপির “ডাবল ইঞ্জিন” সরকার ক্ষমতায় আসার পর সব বাধা অতিক্রম করে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে প্রতি বছর লাখো মানুষ সেখানে দর্শনে যাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ