মিয়ানমারে নতুন করে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) এএফপির বরাত দিয়ে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানায়, স্থানীয় প্রশাসন, উদ্ধারকর্মী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধ গত কয়েক বছরে আরও তীব্র হয়েছে। সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সংঘর্ষের মধ্যে নিয়মিতভাবে […]
মিয়ানমারে নতুন করে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) এএফপির বরাত দিয়ে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানায়, স্থানীয় প্রশাসন, উদ্ধারকর্মী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধ গত কয়েক বছরে আরও তীব্র হয়েছে। সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সংঘর্ষের মধ্যে নিয়মিতভাবে বিমান হামলা চালানো হচ্ছে, যার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে।
স্থানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় সাগাইং অঞ্চলের তাবায়িন টাউনশিপে দুটি বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এর একটি সরাসরি আঘাত হানে একটি ব্যস্ত চায়ের দোকানে। এতে ১৮ জন নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হয়। তিনি বলেন, চায়ের দোকানে অনেক মানুষ থাকায় হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে তথ্যদাতারা পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।
এক উদ্ধারকর্মী জানান, হামলার প্রায় ১৫ মিনিট পরই তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁর ভাষ্য, সাতজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বাকিরা হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন। হামলায় চায়ের দোকানসহ আশপাশের অন্তত এক ডজন বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
এদিকে, চলমান অস্থিরতার মধ্যেই শনিবার থেকে বিদেশে অবস্থানরত মিয়ানমার নাগরিকদের আগাম ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ব্যাংককস্থ মিয়ানমার দূতাবাসের সামনে ভোট দিতে কিছু মানুষকে সারিবদ্ধ অবস্থায় দেখা গেছে।
গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত দেশটিতে জান্তা সরকার আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা আরও সুসংহত করার চেষ্টা করছে। চলতি মাসের শেষদিকে পর্যায়ক্রমে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট