বাংলাদেশের খুচরা বাজারে যমুনা ফিউচার পার্কের হাইপার মার্কেট ‘হোলসেল ক্লাব’ ইতিমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে একটি বিশ্বস্ত ও আধুনিক ক্রয়স্থল হিসেবে। ২০১৯ সালের ১৫ অক্টোবর যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মো. নুরুল ইসলাম যমুনা হোলসেল ক্লাবের উদ্বোধন করেন। ৬ বছর পার করে এখন প্রতিষ্ঠানটি প্রবেশ করেছে সপ্তম বছরে, যার মধ্য দিয়ে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম […]
বাংলাদেশের খুচরা বাজারে যমুনা ফিউচার পার্কের হাইপার মার্কেট ‘হোলসেল ক্লাব’ ইতিমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে একটি বিশ্বস্ত ও আধুনিক ক্রয়স্থল হিসেবে। ২০১৯ সালের ১৫ অক্টোবর যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মো. নুরুল ইসলাম যমুনা হোলসেল ক্লাবের উদ্বোধন করেন। ৬ বছর পার করে এখন প্রতিষ্ঠানটি প্রবেশ করেছে সপ্তম বছরে, যার মধ্য দিয়ে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম শপিংমল হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে।
বর্তমানে যমুনা হোলসেল ক্লাব পরিচালনা করছেন যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সোনিয়া সারিয়াত, যিনি প্রতিষ্ঠানটিকে ক্রেতাদের বিশ্বমানের এবং ভেজালমুক্ত পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে বাজারে আলাদা পরিচিতি দিয়েছেন। ক্রেতাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্য ও পাইকারি দামের সুবিধা নিশ্চিত করাই এই মার্কেটের মূলমন্ত্র। ইউরোপ ও আমেরিকার আধুনিক শপিংমলগুলোর আদলে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতাদের কাছে এক নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বিক্রয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর যমুনা হোলসেল ক্লাব তাদের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, গ্রুপ পরিচালক সোনিয়া সারিয়াত এবং শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কর্মীদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলামের স্বপ্ন ও আদর্শ আমাদের পথপ্রদর্শক। তিনি যেভাবে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, তাতে আমরা গর্বিত। হোলসেল ক্লাব ক্রেতাদের জন্য বিশ্বমানের পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে এক অনন্য উদাহরণ।”
ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে যমুনা হোলসেল ক্লাবে চলছে বিশেষ ক্যাম্পেইন ও অফার। ১৫ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ‘র্যাফেল ড্র’, ‘রিল ইওর ডিল’, ‘স্পিন টু উইন’, এবং ডিসকাউন্ট ভাউচারসহ নানা আকর্ষণীয় কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে।
৩ হাজার টাকার কেনাকাটায় ক্রেতারা অংশ নিতে পারবেন র্যাফেল ড্র ক্যাম্পেইনে, যেখানে জেতার সুযোগ রয়েছে ঢাকা থেকে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং কক্সবাজারের রাউন্ড ট্রিপ এয়ার টিকিট। এছাড়াও ২ হাজার টাকার কেনাকাটায় স্পিন টু উইনে অংশগ্রহণ করে নিশ্চিত পুরস্কার পাওয়া যাচ্ছে।
প্রায় ২ লাখ বর্গফুট আয়তনের এই মার্কেটে রয়েছে ৫০ হাজারের বেশি পণ্য। এর মধ্যে ৩০ হাজারের ওপরে পণ্য সরাসরি আমদানি করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ালমার্ট, কস্টকো ও স্যামস ক্লাবের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড থেকে। কসমেটিকস, খাদ্য সামগ্রী, রান্নাঘরের সরঞ্জাম থেকে শুরু করে শিশুদের খাবার ও পোষা প্রাণীর খাদ্য পর্যন্ত এখানে পাওয়া যায়। এই বিস্তৃত পণ্যের কারণে ক্রেতারা এক ছাদের নিচে তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সবকিছু সহজে ও সাশ্রয়ে কিনতে পারছেন।
যমুনা হোলসেল ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্রেতাদের চাহিদার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে মার্কেটটি ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সহজে পণ্য কেনার সুবিধা বাড়ানো হবে। এর ফলে, ক্রেতারা ঘরে বসেই বিশ্বমানের পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে পেতে সক্ষম হবেন।
যমুনা হোলসেল ক্লাব বাংলাদেশের খুচরা বাজারে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এখানে ক্রেতারা শুধু পণ্য কেনার জায়গা নয়, বরং বিশ্বমানের সেবা ও স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতিও পান। ক্রেতাদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেই এটি দেশের অন্যতম শীর্ষ শপিং ডেস্টিনেশন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিশেষ অফার, বহুমুখী পণ্য ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যমুনা হোলসেল ক্লাব ভবিষ্যতেও ক্রেতাদের প্রিয় স্থান হয়ে থাকবে বলে আশা করা যায়।