Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
২:৪৯ পিএম, ২৫ জুন ২০২৬

যুদ্ধবিরতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বস্তি, সংঘাতপূর্ব অবস্থায় ফিরল তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরেছে। দীর্ঘ ১০৭ দিনের সংঘাতের অবসানের পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত কমে যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৭২ ডলারে লেনদেন হতে দেখা যায়। কয়েক সপ্তাহ আগেও মধ্যপ্রাচ্যের […]

যুদ্ধবিরতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বস্তি, সংঘাতপূর্ব অবস্থায় ফিরল তেলের দাম

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরেছে। দীর্ঘ ১০৭ দিনের সংঘাতের অবসানের পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত কমে যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৭২ ডলারে লেনদেন হতে দেখা যায়। কয়েক সপ্তাহ আগেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেলের দাম ১১০ ডলারের ওপরে উঠে গিয়েছিল, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে ব্যাপক চাপ তৈরি করেছিল।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির আভাস পাওয়া যায়। বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমে আসায় জ্বালানি পরিবহন ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে ফিরতে শুরু করবে।

বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়াকে বাজার ইতিবাচকভাবে দেখছে। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল এই নৌপথ ব্যবহার করে পরিবাহিত হয়। সংঘাত চলাকালে ওই রুটে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছিল।

যুদ্ধবিরতির পর প্রণালিতে আটকে থাকা তেলবাহী ট্যাংকারগুলো আবারও গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। ফলে বাজারে নতুন করে সরবরাহ বাড়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে আগামী সপ্তাহগুলোতে তেলের দাম আরও কমতে পারে। পাশাপাশি আলোচনার মাধ্যমে যদি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়, তাহলে বাজারে আরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

দীর্ঘ সময়ের অস্থিরতার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের এই মূল্যপতনকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়ক হতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ