সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১২:২৫ পিএম, ১৭ জুন ২০২৬

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজায় থামেনি হামলা, নিহত আরও ১,০০৫ ফিলিস্তিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইলি সামরিক অভিযান বন্ধ হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এ পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় […]

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজায় থামেনি হামলা, নিহত আরও ১,০০৫ ফিলিস্তিনি

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইলি সামরিক অভিযান বন্ধ হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এ পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। আহতের সংখ্যাও প্রতিদিন বাড়ছে। ফলে আগে থেকেই সংকটে থাকা গাজার মানবিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং জ্বালানির ঘাটতি রয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা চরম চাপের মুখে পড়েছেন। অনেক হাসপাতাল সীমিত সক্ষমতায় সেবা দিচ্ছে।

এদিকে সপ্তাহের শুরুতে প্রকাশিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে। নিহতদের বড় অংশ নারী ও শিশু। এছাড়া কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা থাকলেও সংঘাত অব্যাহত থাকায় এর কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকার দাবি জোরালো হচ্ছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোও গাজায় চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যদিকে, যুদ্ধের অবসান এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবিও ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, কার্যকর ও টেকসই সমাধান ছাড়া গাজার মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ