সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

ফিচার
৩:৪৮ পিএম, ২৩ মার্চ ২০২৬

যেভাবে খামেনিকে হত্যার ছক কষেছিলেন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার একটি পরিকল্পনার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শীর্ষ পর্যায়ের সমন্বয়ের কথা উঠে এসেছে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌথ সামরিক অভিযানের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে ফোনালাপে এই পরিকল্পনার চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোয়েন্দা তথ্য থেকে জানা যায়, খামেনি ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা তেহরানে একটি বৈঠকে […]

যেভাবে খামেনিকে হত্যার ছক কষেছিলেন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার একটি পরিকল্পনার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শীর্ষ পর্যায়ের সমন্বয়ের কথা উঠে এসেছে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌথ সামরিক অভিযানের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে ফোনালাপে এই পরিকল্পনার চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোয়েন্দা তথ্য থেকে জানা যায়, খামেনি ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা তেহরানে একটি বৈঠকে অংশ নেবেন। নির্ধারিত সময় পরিবর্তন হয়ে বৈঠকটি আগে অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হামলার পরিকল্পনা ত্বরান্বিত করা হয়। এরপরই “ডিক্যাপিটেশন স্ট্রাইক”—অর্থাৎ শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলার ধারণায় সম্মতি দেওয়া হয় এবং ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে অভিযানের নির্দেশ জারি করা হয়।

বিশ্লেষণে বলা হয়, এই ধরনের সুযোগ ভবিষ্যতে নাও আসতে পারে—এমন যুক্তি তুলে ধরে ইসরায়েলি পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রকে রাজি করায়। একই সঙ্গে আগের একটি হত্যাচেষ্টার প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। যদিও পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে টেনে আনার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

এর আগে ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে যৌথ হামলা চালানো হলেও তা প্রত্যাশিত ফল দেয়নি বলে ধারণা করা হয়। পরে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হয়।

তবে হামলার আগে কিছু সতর্কবার্তাও ছিল—এ ধরনের পদক্ষেপ ইরানের পক্ষ থেকে বড় ধরনের পাল্টা প্রতিক্রিয়া ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। বাস্তবে সংঘাতের ফলে উভয় পক্ষেই হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং এর প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক বাণিজ্যেও।

পরিস্থিতি বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, প্রত্যাশিত রাজনৈতিক পরিবর্তন ইরানে ঘটেনি। বরং নতুন নেতৃত্ব আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে, যার ফলে অঞ্চলের উত্তেজনা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ