লেবাননে চলমান সংঘাত ভয়াবহ মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, মাত্র তিন সপ্তাহের যুদ্ধে দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯ হাজার শিশু বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। সোমবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেবাননে ইউনিসেফের প্রতিনিধি মার্কোলুইজি কর্সি বলেন, দক্ষিণ […]
ছবি: সংগৃহীত
লেবাননে চলমান সংঘাত ভয়াবহ মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, মাত্র তিন সপ্তাহের যুদ্ধে দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯ হাজার শিশু বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।
সোমবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেবাননে ইউনিসেফের প্রতিনিধি মার্কোলুইজি কর্সি বলেন, দক্ষিণ লেবাননের শিশুদের কাছে পৌঁছানো এখন তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ভাষায়, বহু শিশু এমন দুর্গম এলাকায় আটকা পড়েছে, যেখানে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত কঠিন।
তিনি আরও জানান, ইসরাইলি বিমান হামলায় একাধিক সেতু ধ্বংস হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ লেবাননে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে লিটানি নদীর ওপর থাকা বেশ কয়েকটি সেতুও ধ্বংস করা হয়েছে।
কর্সি বলেন, অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করা শিশুদের সহায়তা দেওয়াও এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক শিশু একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, ফলে তারা বারবার মানসিক আঘাতের মুখে পড়ছে।
বর্তমানে স্কুলগুলো বন্ধ থাকায় শিশুদের টিকাদান, চিকিৎসা এবং প্রাথমিক শিক্ষার বিকল্প হিসেবে ইউনিসেফ ‘লার্নিং হাব’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।
ইউনিসেফ আরও জানিয়েছে, বোমাবর্ষণে পানির ট্যাংক ও পাম্পিং স্টেশন ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় বহু এলাকায় নিরাপদ পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল, সেতু এবং পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।