জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে যে নামটি আন্দোলনের সাহসী প্রতীক হয়ে উঠেছিল, তিনি আবু সাঈদ। পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে বুক উঁচিয়ে তাঁর সেই শেষ মুহূর্ত যেন বলে দিচ্ছিল—নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা মেনে নেওয়া যায় না। ২০২৪ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছিল। সেই সময় ১৬ জুলাই দুপুরে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ক মোড় এলাকায় গুলির আঘাতে লুটিয়ে পড়েন […]
জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে যে নামটি আন্দোলনের সাহসী প্রতীক হয়ে উঠেছিল, তিনি আবু সাঈদ। পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে বুক উঁচিয়ে তাঁর সেই শেষ মুহূর্ত যেন বলে দিচ্ছিল—নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা মেনে নেওয়া যায় না।
২০২৪ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছিল। সেই সময় ১৬ জুলাই দুপুরে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ক মোড় এলাকায় গুলির আঘাতে লুটিয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী, মাত্র ২৫ বছরের আবু সাঈদ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে তিনি ছিলেন ক্যাম্পাসের অন্যতম সংগঠক।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার ভিডিও মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় পৌঁছে গেলে সারাদেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদ আরও তীব্র করে তোলে আন্দোলনকে। ক্রমবর্ধমান ছাত্র-জনতার চাপের মুখে পরের বছর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে যেতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা।
আজ ১০ ডিসেম্বর—সাহসী সেই তরুণ, শহীদ আবু সাঈদের জন্মদিন।