দি বাংলা ভয়েস ডেস্ক ঃ শিশুরাও হাঁপানিতে ভুগতে পারে। ৫ বছরের মধ্যেই সাধারণত শিশুদের মধ্যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। এ শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতার কারণে শ্বাসনালিতে প্রদাহ এবং সংকীর্ণতা সৃষ্টি হয়, ফলে শ্বাসকষ্ট ও কাশি থাকে। শিশুদের হাঁপানি এমন একটি সমস্যা, যেখানে শুধু ওষুধ সেবনে সব সময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। অভিভাবকদেরও সতর্ক থাকতে হয়, নিতে হয় […]
দি বাংলা ভয়েস ডেস্ক ঃ শিশুরাও হাঁপানিতে ভুগতে পারে। ৫ বছরের মধ্যেই সাধারণত শিশুদের মধ্যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।
এ শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতার কারণে শ্বাসনালিতে প্রদাহ এবং সংকীর্ণতা সৃষ্টি হয়, ফলে শ্বাসকষ্ট ও কাশি থাকে। শিশুদের হাঁপানি এমন একটি সমস্যা, যেখানে শুধু ওষুধ সেবনে সব সময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। অভিভাবকদেরও সতর্ক থাকতে হয়, নিতে হয় বিশেষ যত্ন। নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দিলেই শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে—
লক্ষণ ঃ
কারণ
হাঁপানি হওয়ার সঠিক কারণ জানা যায়নি। বংশগত কারণেও হয়ে থাকে। শিশু অবস্থায় যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল থাকে তাদের হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া পরিবেশগত নানা কারণও এর পেছনে কাজ করে। যেমন ধুলোবালি, দূষিত বায়ু এবং পোষা প্রাণীর পশম। সাধারণ সর্দি-কাশির মতো ভাইরাসের কারণে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণেও শিশুদের হাঁপানি হতে পারে। এছাড়া স্থূলতাকেও হাঁপানির কারণ হিসেবে ধরা হয়।
চিকিৎসা
শিশুদের হাঁপানির চিকিৎসার লক্ষ্য হলো উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা এবং প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা। অবস্থা গুরুতর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া, যে ধরনের ওষুধ প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া হাঁপানি রোগ সারাতে জীবন ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এতে পুরোপুরি নিরাময় না হলেও জটিলতা অনেকাংশে কমে আসবে।
শিশুদের হাঁপানি ব্যবস্থাপনা একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার মধ্যে শিক্ষা, প্রতিরোধ এবং সঠিক চিকিৎসা জড়িত। সঠিক পদ্ধতির মাধ্যমে হাঁপানিতে আক্রান্ত বেশির ভাগ শিশু তাদের লক্ষণগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং গুরুতর আক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারে। নিয়মিত চেক-আপ, চিকিৎসা পরিকল্পনা মেনে চলা এবং সচেতনতা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার চাবিকাঠি। সচেতন এবং সক্রিয় থাকার মাধ্যমে পরিবারগুলো নিশ্চিত করতে পারে যে হাঁপানি তাদের সন্তানের জীবনমানের ওপর ন্যূনতম প্রভাব ফেলে।
হাঁপানি ছোঁয়াচে নয়। এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের অবস্থা, যা শ্বাসনালিকে প্রভাবিত করে, যার ফলে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে হাঁপানিতে আক্রান্ত বেশির ভাগ শিশু স্বাভাবিক, সক্রিয় জীবনযাপন করতে পারে। সুত্র : বনিক বার্তা