ঢাকা, ২৫ অক্টোবর: প্রধান উপদেষ্টা শেখ হাসিনার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাকশালের যে লক্ষ্য ও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পূরণ হয়নি, তা তার কন্যা শেখ হাসিনা দক্ষতার সাথে ইউনিক ফর্মুলায় সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন। এই বক্তব্য তিনি রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক ‘নয়া দিগন্ত’ পত্রিকার ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদান করেন। শফিকুল আলমের […]
ঢাকা, ২৫ অক্টোবর: প্রধান উপদেষ্টা শেখ হাসিনার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাকশালের যে লক্ষ্য ও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পূরণ হয়নি, তা তার কন্যা শেখ হাসিনা দক্ষতার সাথে ইউনিক ফর্মুলায় সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন। এই বক্তব্য তিনি রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক ‘নয়া দিগন্ত’ পত্রিকার ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদান করেন।
শফিকুল আলমের ভাষ্যমতে, ‘নয়া দিগন্ত’ ছিল ফ্যাসিবাদী শাসনামলের সময়কার একমাত্র শক্তিশালী গণমাধ্যম, যা অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর তুলে ধরেছিল। তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের ইতিহাস এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ঘটনা আমাদের লিপিবদ্ধ রাখা উচিত, যা প্রায়ই উপেক্ষিত হচ্ছে।
প্রেস সচিব আরো বলেন, শেখ হাসিনা তার বাবার বাকশাল প্রতিষ্ঠার প্রয়াসকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছেন। অতীতের সংবাদমাধ্যমগুলো যখন একসঙ্গে একই বয়ান প্রচার করত, তখন শেখ হাসিনা তার নিজস্ব নীতিমালা ও কৌশলে বাকশালকে কার্যকর করেছেন। তার এই ইউনিক ফর্মুলা বাকশালের কার্যকারিতা ও সাফল্যে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট শাসনামলের বিরুদ্ধে ইংরেজি ভাষায় যে সাহসী প্রতিবেদন হওয়া প্রয়োজন ছিল, তা তখনকার সময়কার সংবাদমাধ্যম থেকে পাওয়া যেত না। এমনকি কোনো ইংরেজি পত্রিকাও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস দেখায়নি। দমন-পীড়নের গল্পগুলো আন্তর্জাতিক পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন ছিল, কিন্তু একটি একতরফা ন্যারেটিভ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবাদ ও বিরোধিতা ছিল ন্যায়বিচারের অংশ হলেও শেখ হাসিনা সেটাকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলেন। এ ধরনের তথ্য ও ইতিহাস সংরক্ষণ করাই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এই বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যায়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাকশাল পুনঃপ্রতিষ্ঠার পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট এবং কার্যকর কৌশল ছিল, যা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও শাসন ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বর্তমান প্রজন্ম ও ভবিষ্যৎ পাঠকদের জন্য এই দৃষ্টিভঙ্গি বোঝা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং নেতৃত্বের পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।