সড়ক পরিবহন আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে গত মে মাসে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। এই সময়ে রাজধানীতে মোট ৩৮ হাজার ২৮৪টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭২টি মামলা হয়েছে এআইভিত্তিক ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে। সব মিলিয়ে জরিমানা হিসেবে আদায় করা হয়েছে ৮ কোটি ৭১ লাখ ৫৬ হাজার ৫০১ টাকা। বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত […]
ছবি: সংগৃহীত
সড়ক পরিবহন আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে গত মে মাসে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। এই সময়ে রাজধানীতে মোট ৩৮ হাজার ২৮৪টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭২টি মামলা হয়েছে এআইভিত্তিক ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে। সব মিলিয়ে জরিমানা হিসেবে আদায় করা হয়েছে ৮ কোটি ৭১ লাখ ৫৬ হাজার ৫০১ টাকা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। সরকারি কিংবা বেসরকারি—যে কেউ আইন ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি কোনো পুলিশ সদস্য ট্রাফিক আইন অমান্য করলেও ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ সদস্যদের এ বিষয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেউ আইন ভাঙলে তার বিরুদ্ধেও ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ট্রাফিক আইন না মানার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই ট্রাফিক আইন মেনে চলাচল করেন। ফলে সরকারি বা বেসরকারি—কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে দেখা হচ্ছে না। আইন লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হুটার ব্যবহারের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি। তার ভাষায়, জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো সাধারণ গাড়িতে হুটার ব্যবহার করার অনুমতি নেই। ট্রাফিক আইন ও বিধিমালায় এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ট্রাফিক বিভাগে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
ডিএমপির তথ্যমতে, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এখন এআই প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। এসব ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচল, নির্ধারিত লেন ভঙ্গসহ বিভিন্ন ট্রাফিক অপরাধ শনাক্ত করতে সক্ষম। প্রযুক্তিনির্ভর এই নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা আনার চেষ্টা চলছে।