সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১২:৩৫ পিএম, ৬ মে ২০২৬

সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার মারা গেছেন

বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টার সংবাদ সম্প্রচারের নতুন ধারা চালু করা কিংবদন্তি মিডিয়া উদ্যোক্তা টেড টার্নার আর নেই। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় নিজ বাড়িতে ৮৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। টার্নার এন্টারপ্রাইজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মৃত্যুর সময় পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা তার পাশে ছিলেন।ওহাইওতে জন্ম নেওয়া টার্নার আধুনিক সংবাদমাধ্যমের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। ১৯৮০ সালের ১ জুন […]

সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার মারা গেছেন

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টার সংবাদ সম্প্রচারের নতুন ধারা চালু করা কিংবদন্তি মিডিয়া উদ্যোক্তা টেড টার্নার আর নেই। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় নিজ বাড়িতে ৮৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। টার্নার এন্টারপ্রাইজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মৃত্যুর সময় পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা তার পাশে ছিলেন।
ওহাইওতে জন্ম নেওয়া টার্নার আধুনিক সংবাদমাধ্যমের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। ১৯৮০ সালের ১ জুন তার উদ্যোগেই যাত্রা শুরু করে বিশ্বের প্রথম ২৪ ঘণ্টার সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন। সংবাদ পরিবেশনের প্রচলিত ধারা বদলে দিয়ে তিনি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন, যা পরবর্তীতে বৈশ্বিক সংবাদপ্রবাহের কেন্দ্রে পরিণত হয়।
শুরুর দিকে তার এই উদ্যোগকে অনেকেই অবাস্তব বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সিএনএন বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে। বিশেষ করে ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে চ্যানেলটি আন্তর্জাতিক সংবাদ পরিবেশনে নতুন দিগন্ত তৈরি করে। ওই বছরই টেড টার্নারকে টাইম ম্যাগাজিন ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
স্পষ্টভাষী মনোভাবের জন্য ‘মাউথ অব দ্য সাউথ’ নামে পরিচিত টার্নার ব্যক্তিগত জীবনেও ছিলেন ব্যতিক্রমী। মাত্র ২৪ বছর বয়সে বাবার মৃত্যুর পর পারিবারিক বিলবোর্ড ব্যবসার দায়িত্ব নিয়ে তিনি ধীরে ধীরে একটি বড় মিডিয়া সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন।
জীবনের শেষ দিকে তিনি নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ২০১৮ সালে তিনি জানান, তিনি লিউই বডি ডিমেনশিয়া নামের একটি জটিল স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত। দীর্ঘদিন এই অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করেই তিনি জীবন কাটিয়েছেন।
টেড টার্নারের মৃত্যু শুধু একজন সফল উদ্যোক্তার বিদায় নয়, বরং বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যমের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ