যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির আশপাশে এখনো প্রায় ১ হাজার ৬০০ জাহাজ আটকে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে বহু জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রমের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। এতে […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির আশপাশে এখনো প্রায় ১ হাজার ৬০০ জাহাজ আটকে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে পড়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে বহু জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রমের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। এতে করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি নিরাপত্তা মিশন চালু করা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, হরমুজে আটকে থাকা বিভিন্ন দেশের জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে প্রণালি পার হতে সহায়তা করা হবে।
তবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা স্থায়ী হওয়া এই উদ্যোগের আওতায় কেবল দুটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।
বর্তমানে অধিকাংশ শিপিং কোম্পানি নিজস্ব ঝুঁকিতে জাহাজ চালাতে অনাগ্রহী। তাদের আশঙ্কা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া জাহাজ চলাচল শুরু করলে পণ্য, জাহাজ ও নাবিকদের জীবন—সবই হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।