Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১২:৩৮ পিএম, ৬ জুন ২০২৬

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের

কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (৬ জুন) ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে […]

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (৬ জুন) ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে এই অবস্থান তুলে ধরে।

আইআরজিসির দাবি, হরমুজ প্রণালিতে অননুমোদিত ট্যাংকার চলাচলকে কেন্দ্র করে প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১টার দিকে চারটি তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করে। ইরানি নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে জাহাজগুলো অগ্রসর হতে থাকলে একটি ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং সেটিকে থামিয়ে দেওয়া হয়। বাকি তিনটি জাহাজ ফিরে যায়।

এর কয়েক ঘণ্টা পর কেশম ও সিরি দ্বীপে অবস্থিত আইআরজিসির দুটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করে ইরান। বিবৃতিতে বলা হয়, রাত ২টার দিকে সংঘটিত ওই হামলার জবাবে ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্স কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের হামলা ছিল সরাসরি প্রতিক্রিয়ামূলক এবং মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে লক্ষ্য করেই পরিচালিত হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পুনরাবৃত্তি হলে ইরানের প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর হবে। প্রয়োজন হলে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে এর দায়ভার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নেতৃত্বাধীন জোটকেই বহন করতে হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান।

বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফলে এই জলপথ বন্ধ হয়ে গেলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

তবে এ ঘটনার বিষয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। পরিস্থিতি ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ