গত ৬ জুলাই থেকে টানা ১২ দিনের মার্কিন বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানে অন্তত ৫০ জন নিহত এবং ৫ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকের পাশাপাশি সামরিক সদস্যও রয়েছেন। আহতদের দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান শেষ হলে […]
ছবি: সংগৃহীত
গত ৬ জুলাই থেকে টানা ১২ দিনের মার্কিন বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানে অন্তত ৫০ জন নিহত এবং ৫ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকের পাশাপাশি সামরিক সদস্যও রয়েছেন। আহতদের দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান শেষ হলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
ইরানের কর্তৃপক্ষের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানও দাবি করেছে যে তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
দুই দেশের এই সংঘাতের ফলে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।
তবে চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে।