সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ১২টি মামলায় জামিন পাওয়ার পর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে কারামুক্ত করা হয়। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডা. আইভীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে মোট ১২টি […]
ছবি: সংগৃহীত
সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ১২টি মামলায় জামিন পাওয়ার পর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে কারামুক্ত করা হয়।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডা. আইভীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে মোট ১২টি মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এসব মামলা দায়ের করা হয়। গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুটি মামলায় গত ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। ওই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলে ১৭ মে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত তাতে ‘নো অর্ডার’ দেন।
এছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা আরও ১০ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিনও আপিল বিভাগ বহাল রাখে। সব মিলিয়ে ১২টি মামলায় জামিন বহাল থাকায় আদালতের আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর তার মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
কারামুক্তির সময় তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওয়াদ হোসেনসহ স্বজন ও কয়েকজন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন।