বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্মচারীদের সংঘর্ষও হয়েছে। বুধবার বিকেলে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দিপালী সিকদার বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি গ্রামের বাসিন্দা। স্বজনদের অভিযোগ, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসক দিপালীকে টানা অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ […]
ছবি: সংগৃহীত
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্মচারীদের সংঘর্ষও হয়েছে।
বুধবার বিকেলে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দিপালী সিকদার বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি গ্রামের বাসিন্দা।
স্বজনদের অভিযোগ, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসক দিপালীকে টানা অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ দেন। শয্যাসংকটের কারণে তাকে একটি ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল।
নিহতের ভাই মিলন হাওলাদার দাবি করেন, মেডিসিন ইউনিটের কর্মচারী সোহেল পাশের এক রোগীর স্বজনের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে তাদের ট্রলিটি দিতে চান। এজন্য তিনি দিপালীর অক্সিজেন লাইন খুলে দেন।
তার ভাষ্য, পরিবারের সদস্যরা অনুরোধ করলেও সোহেল তা শোনেননি। অক্সিজেন খুলে দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দিপালীর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর উত্তেজিত স্বজনরা অভিযুক্ত কর্মচারীকে মারধর করলে হাসপাতালের অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্য জানান, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তারা হস্তক্ষেপ করে অভিযুক্ত কর্মচারীকে উদ্ধার করেন।
অভিযোগের পর অভিযুক্ত কর্মচারী হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।