সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বাংলাদেশ
১:২০ অপরাহ্ন, ২০ মে ২০২৬

খুমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: হুড়োহুড়িতে আইসিইউ রোগীর মৃত্যু, আহত ৩

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ির মধ্যে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজন স্টাফ নার্স এবং ফায়ার সার্ভিসের একজন সদস্য আহত হয়েছেন। মৃত রোগীর নাম নাসরিন নাহার (৩০)। তিনি কয়রা উপজেলার নেছার আলীর মেয়ে। গত রোববার তাঁকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হাসপাতাল সূত্র জানায়, জন্মগত ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় […]

খুমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: হুড়োহুড়িতে আইসিইউ রোগীর মৃত্যু, আহত ৩

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ির মধ্যে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজন স্টাফ নার্স এবং ফায়ার সার্ভিসের একজন সদস্য আহত হয়েছেন।

মৃত রোগীর নাম নাসরিন নাহার (৩০)। তিনি কয়রা উপজেলার নেছার আলীর মেয়ে। গত রোববার তাঁকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হাসপাতাল সূত্র জানায়, জন্মগত ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বুধবার সকাল ৬টার দিকে হাসপাতাল ভবনের তৃতীয় তলায় হঠাৎ আগুনের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর পুরো এলাকায় কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং রোগী, স্বজন ও হাসপাতালকর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।

অগ্নিকাণ্ডের সময় রোগীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ধারণা, আতঙ্কের মধ্যে নাসরিন নাহারকে সরিয়ে নেওয়ার সময় তাঁর অক্সিজেন সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তিনি মারা যান বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. দিলিপ কুমার কুন্ডু বলেন, নাসরিন নাহারসহ ওটি বিভাগের ১৫ শয্যাতেই রোগী ছিল। তাদের সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে নাসরিন নাহারের স্বজনরা তাঁকে নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেওয়ার সময়ই তিনি মারা যান বলে তিনি জানান।

খুমেক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হোসেন আলী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট অথবা এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্তের পর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে হতাহতের ঘটনাও ঘটে। হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মী ও আনসার কমান্ডার এসিপি মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গ্রিল কেটে রোগীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময় গ্রিল ভেঙে পড়ে দুইজন স্টাফ নার্স ও ফায়ার সার্ভিসের একজন সদস্য আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী আইনুল ইসলাম বলেন, আগুন ঠিক কোন কারণে লেগেছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে আগুনের কারণে হাসপাতালের অক্সিজেন সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এ কারণে আপাতত সব ধরনের অপারেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ