সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

রাজনীতি
৪:২১ অপরাহ্ন, ২১ জুলাই ২০২৬

এনসিপি নেতা কাফিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি বিদ্যালয়ের জমি দখল, মাটি কেটে জমির আকার পরিবর্তন এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি, তার বড় ভাই এবং বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বাদী হয়ে সোমবার কলাপাড়া সিনিয়র […]

এনসিপি নেতা কাফিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি বিদ্যালয়ের জমি দখল, মাটি কেটে জমির আকার পরিবর্তন এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি, তার বড় ভাই এবং বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বাদী হয়ে সোমবার কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে কলাপাড়া থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১১ জুলাই সকালে নুরুজ্জামান কাফি, তার বড় ভাই মামুন এবং বাবা এবিএম হাবিবুর রহমান ভেকু (খননযন্ত্র) নিয়ে বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন ৫৯ নম্বর দাগভুক্ত জমিতে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা জমির মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম কয়েকজন শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হন। এ সময় নুরুজ্জামান কাফি প্রধান শিক্ষকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রায় ১১০ ফুট দীর্ঘ ও ৩০ ফুট প্রশস্ত অংশ থেকে অন্তত এক লাখ টাকার মাটি কেটে ট্রলিতে করে সরিয়ে ফেলেন এবং সেখানে খোয়া ফেলে রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।

তবে নুরুজ্জামান কাফি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের আইনি প্রক্রিয়া শেষে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মাধ্যমে জমির প্রকৃত উত্তরাধিকারীরা মালিকানা পান। তিনি সেই মালিকদের কাছ থেকে বায়নামূলে জমিটি কিনেছেন এবং মালিকপক্ষ জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর সেখানে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

কাফির দাবি, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার কোনো কথোপকথন বা সাক্ষাৎই হয়নি। তার ভাষায়, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।”

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই বিদ্যালয়ের জমিতে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে নুরুজ্জামান কাফি সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছিলেন। এরপরই একই ঘটনায় চাঁদাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করা হয়।

কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফেরদৌস মিয়া জানিয়েছেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ