ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে দুই দিনে ১ হাজার ২৭৬টি মসজিদ এবং ১৯৯টি মন্দির থেকে মাইক সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। রাজ্যজুড়ে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর শব্দমাত্রা নির্ধারিত সীমার মধ্যে আছে কি না, তা যাচাই করতেই এ অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে শব্দদূষণবিধি ভঙ্গের […]
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে দুই দিনে ১ হাজার ২৭৬টি মসজিদ এবং ১৯৯টি মন্দির থেকে মাইক সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। রাজ্যজুড়ে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর শব্দমাত্রা নির্ধারিত সীমার মধ্যে আছে কি না, তা যাচাই করতেই এ অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে শব্দদূষণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাইক খুলে ফেলা হয়। পুলিশের দাবি, এ ব্যবস্থা সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথমবারের মতো এ ধরনের রাজ্যব্যাপী অভিযানে উপাসনালয়ের পরিচালনা কমিটিগুলোকে মাইক ব্যবহার বন্ধ করতে এবং শব্দদূষণ সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে।
রাজ্যের শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ ও বিধিমালা) ২০০০ অনুযায়ী, দিনের বেলায় অর্থাৎ সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লাউডস্পিকার ব্যবহার করতে হলে পুলিশের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে সাউন্ড লিমিটার ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে। এ বিধিমালায় শব্দের মাত্রা নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখার নির্দেশ রয়েছে।
তবে অভিযানের বিষয়ে কিছু মসজিদ ও মন্দির কমিটির প্রতিনিধিরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তাদের মৌখিকভাবে লাউডস্পিকার সরিয়ে ফেলতে বলেছে, কিন্তু লিখিত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।