সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
২:৪৪ পিএম, ১৫ আগস্ট ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ৩৮

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে শক্তিশালী ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান শুরুর পর মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। ধ্বংসস্তূপে আরও মানুষ আটকা […]

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ৩৮

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে শক্তিশালী ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান শুরুর পর মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। ধ্বংসস্তূপে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৫টার কিছু আগে ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। এরপর ৬.১ মাত্রার একটি আফটারশকসহ বেশ কয়েকটি শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে প্রায় তিন ঘণ্টা পর সমুদ্রপৃষ্ঠের উল্লেখযোগ্য উচ্চতা বৃদ্ধি না হওয়ায় সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। আতঙ্কিত হয়ে প্রায় ২ হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য উঁচু এলাকায় চলে যান।

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু

ইস্ট নুসা টেঙ্গারা প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াডেস লাকা লেনা জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

সিক্কা অঞ্চলের বাসিন্দা আর্নল্ড ওয়েলিয়ান্তো জানান, তীব্র কম্পনে তার ঘুম ভেঙে যায়। সমুদ্রের পানি নিচের দিকে সরে যেতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে স্থানীয়রা পাহাড় ও রাস্তায় আশ্রয় নেন।

রুটেং শহরের বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ইউলিয়ান জুইতা একালিয়া বলেন, এত শক্তিশালী ভূমিকম্প তিনি আগে কখনো অনুভব করেননি। তার ভাষায়, মনে হচ্ছিল তারা যেন ট্রামপোলিনের ওপর অবস্থান করছেন।

বন্দরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মৌমেড়ে বন্দরে মূল টার্মিনাল ভবনের কংক্রিটের অংশ ভেঙে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ওপর পড়ে। এ সময় জাহাজের সিঁড়ি ভেঙে কয়েকজন সমুদ্রে পড়ে যান।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ভূমিকম্পে ৫৪টি বাড়ি, পাঁচটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একটি গুদামঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা জানিয়েছে, মঙ্গরাই প্রদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি।

ভূমিকম্পপ্রবণ ইন্দোনেশিয়া

তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরিপ্রবণ দেশ। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

সূত্র: বিবিসি

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ