সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

খেলাধুলা
৪:০৫ পিএম, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিয়াল মাদ্রিদের এমবাপ্পেকে অপহরণের পরিকল্পনা, পুলিশের হাতে এল চাঞ্চল্যকর তালিকা

ফুটবল মাঠে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে অভ্যস্ত কিলিয়ান এমবাপ্পে। কিন্তু এবার মাঠের বাইরের এক ভয়ংকর ঘটনায় সামনে এসেছে তার নাম। ফ্রান্সে একটি অপরাধী চক্রের কথিত অপহরণ পরিকল্পনার তালিকায় ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা ও ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক। শুধু এমবাপ্পে নন, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর সেই তালিকায় ছিলেন আরও ২৫ জন—ফুটবলার, র‍্যাপ শিল্পী এবং বিপুল সম্পদের মালিক ব্যবসায়ী। […]

রিয়াল মাদ্রিদের এমবাপ্পেকে অপহরণের পরিকল্পনা, পুলিশের হাতে এল চাঞ্চল্যকর তালিকা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ফুটবল মাঠে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে অভ্যস্ত কিলিয়ান এমবাপ্পে। কিন্তু এবার মাঠের বাইরের এক ভয়ংকর ঘটনায় সামনে এসেছে তার নাম। ফ্রান্সে একটি অপরাধী চক্রের কথিত অপহরণ পরিকল্পনার তালিকায় ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা ও ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক।

শুধু এমবাপ্পে নন, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর সেই তালিকায় ছিলেন আরও ২৫ জন—ফুটবলার, র‍্যাপ শিল্পী এবং বিপুল সম্পদের মালিক ব্যবসায়ী। আর তদন্তকারীদের হাতে যে তথ্য এসেছে, সেটিই তৈরি করেছে সবচেয়ে বড় চমক: এই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে মাত্র ১৮ বছর বয়সী এক তরুণের বিরুদ্ধে, যিনি তখন কারাগারেই ছিলেন।

কারাগারে বসেই চলছিল কথিত পরিকল্পনা

ফরাসি সংবাদপত্র ‘লে প্যারিসিয়াঁ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্লেমঁ এল নামের ওই তরুণ ‘লেস্টার জেড’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। কারাগারে থাকা অবস্থাতেও তিনি স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে বাইরে থাকা সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশ তার দুটি মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে ২৬ জন সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর ঠিকানা ও বিভিন্ন তথ্য খুঁজে পায়। সেই তালিকাতেই ছিল এমবাপ্পের নাম।

ঘড়ির দোকানের তদন্তে বেরিয়ে আসে রহস্য

গত এপ্রিল মাসে ফ্রান্সের নুই-সুর-সেনে একটি বিলাসবহুল ঘড়ির দোকানকে ঘিরে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই কথিত অপরাধী চক্রটির সন্ধান মেলে।

তদন্তকারীরা পরে জানতে পারেন, চক্রটি শুধু ডাকাতি নয়, ধনী ও পরিচিত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হামলা এবং অপহরণের পরিকল্পনাও করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

তালিকায় ছিলেন আরও যেসব ধনী ব্যক্তি

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এমবাপ্পের পাশাপাশি তালিকায় ছিলেন একজন র‍্যাপ শিল্পী এবং বেশ কয়েকজন ধনী ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে জুয়েলারি ব্যবসায়ী, তুরস্কের মাংস ব্যবসায়ী ও চীনা ব্যবসায়ীরাও ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তালিকায় নাম থাকা মানেই ওই ব্যক্তিদের কাউকে অপহরণ করা হয়েছিল—এমন নয়। এটি ছিল কথিত অপরাধী চক্রের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত এখনো চলছে।

এমবাপ্পের নাম জড়িয়ে পড়ায় অবশ্য ঘটনাটি নিয়ে ফ্রান্সের ক্রীড়া ও বিনোদন জগতে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ