যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তর বিংহ্যামটন এলাকার ভেস্টালে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হাতে এক বাংলাদেশি আটক হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তাঁকে আটক করা হয় বলে একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আমেরিকা বাংলা। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয়, আটকের কারণ এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জরুরি […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তর বিংহ্যামটন এলাকার ভেস্টালে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হাতে এক বাংলাদেশি আটক হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তাঁকে আটক করা হয় বলে একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আমেরিকা বাংলা। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয়, আটকের কারণ এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জরুরি কাজে নিউইয়র্ক সিটি থেকে ভেস্টালে গিয়েছিলেন ওই বাংলাদেশি। সেখানে তাঁর এক বন্ধুর গাড়ি থামিয়ে তাঁকে আটক করা হয় বলে দাবি করেছে সূত্রটি। তবে তাঁর অভিবাসনগত অবস্থার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আইসিইর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে আটকের বিস্তারিত বিবরণ এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
বৃহত্তর বিংহ্যামটন এলাকায় আইসিইর অভিবাসন অভিযান নিয়ে কয়েক মাস ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন স্থানীয় অধিকারকর্মীরা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডব্লিউবিএনজির ৯ জুলাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘হিউম্যানস অব আইসিই’ প্রকল্প ও ‘কনসার্নড রেসিডেন্টস অব গ্রেটার বিংহ্যামটন’ নামের দুটি সংগঠন আগের ৭২ ঘণ্টায় ব্রুম কাউন্টিতে ১৯ জনকে আটকের তথ্য জানিয়েছিল। তবে এটি সংগঠনগুলোর দেওয়া হিসাব; আইসিইর প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান নয়।
ওই সময় আইসিই স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিল, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যজুড়ে সংস্থাটি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। বৃহত্তর বিংহ্যামটন এলাকাও এসব কার্যক্রমের আওতাভুক্ত। তবে সংস্থাটির ওই বক্তব্য ভেস্টালে বাংলাদেশি নাগরিককে আটকের ঘটনাটি নিশ্চিত করে না।
নিউইয়র্ক সিটি ও আশপাশের এলাকায় অভিবাসনসংক্রান্ত আটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
শহর প্রশাসনের একটি নিরীক্ষার তথ্য উদ্ধৃত করে রয়টার্স গত ২২ মে জানায়, ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটি এলাকায় আইসিই ৫ হাজার ৫৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আগের প্রশাসনের শেষ দিকের একই দৈর্ঘ্যের সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ৭১ শতাংশ বেশি।
তবে ভেস্টালে আটক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ রয়েছে কি না, তাঁকে কোথায় নেওয়া হয়েছে কিংবা তাঁর আইনজীবী বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁর অভিবাসনগত অবস্থা ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কেও তাই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।