কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও, অডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে নিউইয়র্কের ভোটারদের সতর্ক করেছেন অঙ্গরাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস। আগামী ৩ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের জন্য হালনাগাদ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে তাঁর দপ্তর। বুধবার প্রকাশিত নির্দেশিকায় এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি নির্বাচনী অপতথ্য শনাক্ত করা, তা থেকে সতর্ক থাকা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর […]
ছবি: সংগৃহীত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও, অডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে নিউইয়র্কের ভোটারদের সতর্ক করেছেন অঙ্গরাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস। আগামী ৩ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের জন্য হালনাগাদ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে তাঁর দপ্তর।
বুধবার প্রকাশিত নির্দেশিকায় এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি নির্বাচনী অপতথ্য শনাক্ত করা, তা থেকে সতর্ক থাকা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে প্রথম নির্দেশিকা প্রকাশের পর এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন সংস্করণটি তৈরি করা হয়েছে।
লেটিশিয়া জেমস বলেন, ভোট দেওয়ার সময় নিউইয়র্কের নাগরিকদের সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে, যাতে তাঁরা জেনে-বুঝে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর জানিয়েছে, এআই চ্যাটবট থেকে ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, ভোট দেওয়ার সময়সীমা এবং ভোটার হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল বা পুরোনো তথ্য পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও ও অডিও এতটাই বাস্তবসম্মত হয়ে উঠেছে যে সেগুলোর কারসাজি শনাক্ত করা আগের চেয়ে কঠিন হয়ে পড়েছে।
নিউইয়র্কের আইন অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রচারের নির্দিষ্ট কিছু উপকরণে বাস্তবসম্মত এআই-নির্মিত বা প্রতারণামূলক ছবি, ভিডিও কিংবা অডিও ব্যবহার করা হলে সেগুলো কারসাজি করে তৈরি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হতে পারে।
নির্বাচনী তথ্য যাচাই করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভোটারদের কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর।
নির্বাচনকে ঘিরে এআইয়ের অপব্যবহার ও ভুয়া তথ্যের বিস্তার ঠেকাতে ভোটারদের সতর্কতা এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।