যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসে একটি বাসায় ঢুকে অস্ত্রের মুখে ৮৯ বছর বয়সী এক নারী ও তাঁর ৭০ বছর বয়সী ছেলেকে জিম্মি করে ডাকাতি করেছে তিন ব্যক্তি। তাঁদের হাত-পা প্লাস্টিকের বিশেষ বাঁধন দিয়ে বেঁধে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান সন্দেহভাজনরা। তাঁদের মধ্যে দুজন অ্যামাজনের কর্মীর মতো পোশাক পরেছিলেন। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মঙ্গলবার […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসে একটি বাসায় ঢুকে অস্ত্রের মুখে ৮৯ বছর বয়সী এক নারী ও তাঁর ৭০ বছর বয়সী ছেলেকে জিম্মি করে ডাকাতি করেছে তিন ব্যক্তি। তাঁদের হাত-পা প্লাস্টিকের বিশেষ বাঁধন দিয়ে বেঁধে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান সন্দেহভাজনরা। তাঁদের মধ্যে দুজন অ্যামাজনের কর্মীর মতো পোশাক পরেছিলেন। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে ব্রঙ্কসের বেডফোর্ড পার্ক এলাকায় বেইনব্রিজ অ্যাভিনিউ ও ইস্ট ১৯৯ স্ট্রিটের কাছের একটি আবাসিক ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) জানায়, ঘটনার সময় ওই নারী ও তাঁর ছেলে বাসার ভেতরে ছিলেন। তিন ব্যক্তি জোর করে বাসায় প্রবেশ করেন। তাঁদের একজন আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তাঁরা ভুক্তভোগীদের মুঠোফোন, নগদ অর্থ, ক্রেডিট কার্ডসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যান।
ডাকাতির একপর্যায়ে মা ও ছেলের হাত-পা প্লাস্টিকের বিশেষ বাঁধন দিয়ে বেঁধে রেখে সন্দেহভাজনরা হেঁটে পালিয়ে যান। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁরা বেইনব্রিজ অ্যাভিনিউ ধরে উত্তর দিকে চলে যান।
পুলিশের প্রকাশিত বর্ণনা অনুযায়ী, সন্দেহভাজনদের মধ্যে একজন নারী ও দুজন পুরুষ রয়েছেন। নারীর পরনে ছিল কালো পোশাক ও অ্যামাজনের কর্মীদের ব্যবহৃত ভেস্ট। একজন পুরুষের পরনেও একই ধরনের ভেস্ট ছিল। অন্য পুরুষটি কালো পোশাক পরেছিলেন। তাঁদের দুজনকে অ্যামাজনের সরবরাহকর্মীর ছদ্মবেশে দেখা গেছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
খবর পেয়ে জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মা ও ছেলেকে চিকিৎসা দেন। তাঁদের আঘাত সামান্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার তদন্ত চলছে। সন্দেহভাজনদের শনাক্ত বা তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে এনওয়াইপিডি ক্রাইম স্টপার্সের ১-৮০০-৫৭৭-টিআইপিএস (৮৪৭৭) নম্বরে ফোন করে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া ক্রাইম স্টপার্সের ওয়েবসাইটে অনলাইনেও তথ্য জানানো যাবে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।