বন্দুক সহিংসতা প্রতিরোধে নিজেদের কর্মসূচি আরও তিনটি এলাকায় সম্প্রসারণ করছে নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ। নতুন এলাকাগুলো হলো ব্রুকলিনের বুশউইক, হারলেম এবং ওয়াশিংটন হাইটস ও ইনউড। মঙ্গলবার মেয়র জোহরান মামদানি ও অন্যান্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি শহরের ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ কর্মসূচির সম্প্রসারণের ঘোষণা দেন। স্থানীয় সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাজ করে বিরোধ যেন সহিংসতায় রূপ না নেয়, তা প্রতিরোধ করাই এ […]
ছবি: সংগৃহীত
বন্দুক সহিংসতা প্রতিরোধে নিজেদের কর্মসূচি আরও তিনটি এলাকায় সম্প্রসারণ করছে নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ। নতুন এলাকাগুলো হলো ব্রুকলিনের বুশউইক, হারলেম এবং ওয়াশিংটন হাইটস ও ইনউড।
মঙ্গলবার মেয়র জোহরান মামদানি ও অন্যান্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি শহরের ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ কর্মসূচির সম্প্রসারণের ঘোষণা দেন। স্থানীয় সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাজ করে বিরোধ যেন সহিংসতায় রূপ না নেয়, তা প্রতিরোধ করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি সহিংসতার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
মেয়র মামদানি বলেন, বুশউইক, হারলেম এবং ওয়াশিংটন হাইটস ও ইনউডে কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় সংগঠন ও বিশ্বস্ত প্রতিনিধিদের সক্ষমতায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এসব সংগঠন ও প্রতিনিধি নিজ নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন এবং তাঁদের আস্থা অর্জন করেছেন।
মেয়রের কার্যালয় জানিয়েছে, অপরাধসংক্রান্ত তথ্য, সেবার ঘাটতি এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নতুন এলাকাগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিটি এলাকায় ১৬ লাখ ডলার করে মোট ৪৮ লাখ ডলার বরাদ্দ দেওয়া হবে।
কর্মসূচির সম্প্রসারণকে স্বাগত জানিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক অ্যাডভোকেট জুমানে উইলিয়ামস। তিনি বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর প্রমাণিত এমন একটি উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি নিউইয়র্কবাসীর কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। কর্মসূচিটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হয়।
ব্রুকলিন বরোর প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও রেইনোসোও উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মিলেই কাজ করতে হবে; তাদের ওপর কোনো ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, বুশউইকে সাউথসাইড ইউনাইটেড পরিচালিত ‘দ্য উইক অ্যাগেইনস্ট ভায়োলেন্স’ কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো হবে। এর মাধ্যমে বন্দুক সহিংসতার ঝুঁকিতে থাকা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সংগঠনটি বর্তমানে বুশউইক এলাকায় এবং উডহাল হাসপাতালে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
হারলেমে অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে ‘লিভিং রিডেম্পশন’-এর রাস্তাভিত্তিক যোগাযোগ ও বিরোধ মীমাংসার কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এসব উদ্যোগের আওতায় তরুণ ও তাঁদের পরিবারকে পরামর্শদাতা, চাকরি এবং শিক্ষার সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটন হাইটস ও ইনউডে ইউনাইটেড ওয়ে পরিচালিত ‘গ্রো আপ গ্রো আউট জুনিয়র’ কর্মসূচির আওতায় নতুন একটি রাস্তাভিত্তিক যোগাযোগ দল গঠন করা হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় এর আগে এ ধরনের কোনো দল ছিল না।
কর্মসূচিটির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ মীমাংসা, সহিংসতার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় সামাজিক সেবার সঙ্গে তাঁদের যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।