যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপ শুরুর উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে ইরান। তবে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও নতুন করে সামরিক হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না তেহরান। এ পরিস্থিতিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। আরাগচি জানান, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপ শুরুর উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে ইরান। তবে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও নতুন করে সামরিক হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না তেহরান। এ পরিস্থিতিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। আরাগচি জানান, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাঠানো একটি চিঠি পর্যালোচনা করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের সংলাপের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে আরাগচি বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে ইরানের একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থান করছে। তিনি বলেন, ‘আমার একজন সহকারী বর্তমানে পরামর্শ ও আলোচনা চালিয়ে যেতে কাতারে রয়েছেন।’
তবে আপাতত মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মধ্যস্থতাকারীরা কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছেন। আলোচনার দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে প্রস্তাবগুলো এখন পর্যালোচনা করছে তেহরান।
এদিকে নতুন করে ইরানে হামলার সম্ভাবনা নিয়েও সতর্ক অবস্থানের কথা জানান তিনি। আরাগচি বলেন, ইরানের ওপর আবারও হামলা হতে পারে—এমন আশঙ্কা তারা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এ কারণে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও চাপের প্রভাবের কথাও স্বীকার করেন আরাগচি। তবে তিনি বলেন, এসব চাপের মুখেও ইরান আত্মসমর্পণ করবে না।