সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

খেলাধুলা
৯:৪১ এএম, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

অভিষেকে চমক দেয়ার পরিকল্পনা নোয়াখালীর

আসন্ন বিপিএলে সবার শেষে দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নাম ঘোষণার মতো অনুশীলন শুরু করাতেও যেন তারা একটু দেরিই করল। গতকাল রাজধানীর পূর্বাচলে ক্রিকেটার্স একাডেমিতে প্রথম দিনের অনুশীলনে নামে নবাগত দলটি। শুরুতে কেবল দেশি ক্রিকেটারদের নিয়েই অনুশীলন করেছে নোয়াখালী। পারিবারিক কারণে দেশের বাইরে থাকায় সৌম্য সরকার এখনো দলের সঙ্গে যোগ দেননি। সিলেট পর্বে তাকে […]

অভিষেকে চমক দেয়ার পরিকল্পনা নোয়াখালীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

আসন্ন বিপিএলে সবার শেষে দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নাম ঘোষণার মতো অনুশীলন শুরু করাতেও যেন তারা একটু দেরিই করল। গতকাল রাজধানীর পূর্বাচলে ক্রিকেটার্স একাডেমিতে প্রথম দিনের অনুশীলনে নামে নবাগত দলটি। শুরুতে কেবল দেশি ক্রিকেটারদের নিয়েই অনুশীলন করেছে নোয়াখালী। পারিবারিক কারণে দেশের বাইরে থাকায় সৌম্য সরকার এখনো দলের সঙ্গে যোগ দেননি। সিলেট পর্বে তাকে পাওয়া যাবে কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়। তবে বাকি স্থানীয় ক্রিকেটাররা ইতোমধ্যে ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সিলেটেই বিদেশি ক্রিকেটারদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রথমবার বিপিএলে অংশ নিতে যাওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেস দেশি ও বিদেশি ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়ার চেষ্টা করেছে। আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী ও গতিময় পেসার ইহসানউল্লাহ খানের মতো আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ক্রিকেটাররা আছেন স্কোয়াডে। সব মিলিয়ে অভিষেক আসরেই নিজেদের ছাপ রাখার স্বপ্ন দেখছে দলটি।

দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন অভিজ্ঞ খালেদ মাহমুদ সুজন। তার তত্ত্বাবধানে বেশ কিছু তরুণ ক্রিকেটারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জাকের আলী অনিক, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, হাবিবুর রহমান সোহান, শাহাদাত হোসেন দিপু ও মুশফিক হাসানের মতো তরুণদের নিয়ে খানিকটা তারুণ্যনির্ভর দল সাজানো হয়েছে। পাশাপাশি সরাসরি চুক্তিতে দলে ভিড়েছেন জনসন চার্লস, কুশল মেন্ডিস, মোহাম্মদ নবী ও মাজ সাদাকাত। এতে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে শক্ত স্কোয়াড দাঁড় করানোর ইঙ্গিত মিলছে।

বোলিং বিভাগে নেতৃত্ব দেবেন নোয়াখালীরই ছেলে হাসান মাহমুদ। তার সঙ্গে পেস আক্রমণে থাকবেন মুশফিক হাসান ও তরুণ আবু হাশিম। স্পিন বিভাগে ভরসা আফগান তারকা মোহাম্মদ নবী। তবে দলটির সবচেয়ে বড় প্রশ্ন অধিনায়কত্ব নিয়ে। শুরুতে সৌম্য সরকারকে অধিনায়ক করার ভাবনা থাকলেও সিলেট পর্বে তার অনুপস্থিতির সম্ভাবনায় সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। বিকল্প হিসেবে মোহাম্মদ নবীর নাম সামনে এলেও তাকেও প্রথম তিন ম্যাচে পাওয়া যাবে না। আইএল টি-টোয়েন্টি শেষে ৩০ ডিসেম্বর তার দলে যোগ দেওয়ার কথা।

ব্যাটিংয়ে ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে সাম্প্রতিক সময়ে নজর কাড়া হাবিবুর রহমান সোহানকে। তার সঙ্গে ওপেন করতে পারেন জনসন চার্লস অথবা সাব্বির হোসেন। মিডল অর্ডারে কুশল মেন্ডিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে পুরো টুর্নামেন্টে তাকে পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিপিএল চলাকালীন পাকিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি সিরিজ থাকায় জাতীয় দলে ডাক পেলে তাকে ছেড়ে দিতে হতে পারে। শ্রীলঙ্কান স্কোয়াড ঘোষণার পরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

এই অনিশ্চয়তার কারণে মিডল অর্ডার নিয়ে বাড়তি চিন্তায় রয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ম্যানেজমেন্ট। প্রয়োজনে নতুন কাউকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে, যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো হয়নি। বিকল্প হিসেবে অভিজ্ঞ দেশি ক্রিকেটারদের ওপরই ভরসা রাখার পথেও হাঁটতে পারে দলটি। সব মিলিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়েই বিপিএলে নিজেদের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ