সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিনোদন
৬:৪৮ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আইয়ুব বাচ্চুর একুশে পদক গ্রহণ করে স্ত্রীর আবেগী বার্তা

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জনপ্রিয় ব্যান্ড দল ওয়ারফেজকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক এই সম্মাননা তুলে দেন। এবার সংগীতে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হন কিংবদন্তি […]

আইয়ুব বাচ্চুর একুশে পদক গ্রহণ করে স্ত্রীর আবেগী বার্তা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জনপ্রিয় ব্যান্ড দল ওয়ারফেজকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক এই সম্মাননা তুলে দেন।

এবার সংগীতে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হন কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা। পদক গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি সংক্ষিপ্ত অথচ আবেগঘন বার্তায় লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’।

এদিকে, পদক প্রদান উপলক্ষে ব্যান্ড এলআরবির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বক্তব্যে আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি রাষ্ট্রীয় এই সম্মানকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সেখানে বলা হয়, আইয়ুব বাচ্চুর আজীবন সংগীত সাধনা, সাহসী সৃষ্টিশীলতা ও নতুনত্ব বাংলা রক সংগীতকে ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। তাঁর অবদান শুধু দেশের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলকে সমৃদ্ধ করেনি, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশি সংগীতের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছে।

বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, এই সম্মান শুধু একজন শিল্পীর স্বীকৃতি নয়, বরং পুরো সংগীতাঙ্গনের জন্যই গর্বের বিষয়। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য এটি এক বড় অনুপ্রেরণা হিসেবেও কাজ করবে বলে মন্তব্য করা হয়।

এলআরবির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, আইয়ুব বাচ্চুর সৃষ্টিশীলতা, দেশপ্রেম ও সাংস্কৃতিক প্রভাব বিবেচনায় ভবিষ্যতে স্বাধীনতা পদকের মতো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান তাঁর নামের পাশে যুক্ত হবে—এই প্রত্যাশা তাদের হৃদয়ে রয়ে গেছে।

বক্তব্যের শেষাংশে বলা হয়, আইয়ুব বাচ্চু শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে না থাকলেও তার সুর, সাহস ও স্বপ্ন আজও বেঁচে আছে। সেই স্বপ্নই সামনে এগিয়ে চলার প্রেরণা জোগায়। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করা হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ