ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। খাতিবজাদেহ বলেন, কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর আগে কিছু মৌলিক শর্ত পূরণ জরুরি। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। খাতিবজাদেহ বলেন, কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর আগে কিছু মৌলিক শর্ত পূরণ জরুরি। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে লেবাননকে অবশ্যই যেকোনো যুদ্ধবিরতি বা শান্তি প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময়ের মধ্যেই আলোচনার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হতে পারে।
এদিকে, ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছিলেন, লেবাননও এই যুদ্ধবিরতির আওতায় থাকবে। ইরানও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেছেন, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয়। একইভাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে যেকোনো স্থানে গিয়ে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে ইসরায়েল।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলা যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে এই সমঝোতা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।