মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা তিনি পাননি। তবে এ নিয়ে তিনি আপাতত অপেক্ষা করছেন বলেও জানিয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম দাবি করে, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকায় তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান বন্ধ করেছে। […]
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা তিনি পাননি। তবে এ নিয়ে তিনি আপাতত অপেক্ষা করছেন বলেও জানিয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম দাবি করে, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকায় তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান বন্ধ করেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি অবরোধ এবং “অন্যান্য ফ্রন্ট” সক্রিয় করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে ট্রাম্প বলেন, “তারা আমাদের কিছু জানায়নি।” তিনি আরও বলেন, “এর মানে এই নয় যে আমরা গিয়ে বোমা হামলা শুরু করব। আমরা অবরোধ বজায় রাখব।”
তবে এখন পর্যন্ত ইরানের সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে আলোচনা স্থগিত নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতার জন্য লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি “অপরিহার্য শর্ত”। তার ভাষায়, “একটি ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন মানে সব ফ্রন্টেই লঙ্ঘন।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক, ফ্রান্স, পাকিস্তান ও বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপ করেছেন। সেখানে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছে, যদি ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালায়, তাহলে তারা যেন নিরাপদ স্থানে সরে যায়।
সূত্র: আল জাজিরা