সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
১:৪৯ পিএম, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কেন, ব্যাখ্যা দিল দুদক

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়নি বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে তা অনুসন্ধানের জন্য আমলযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে […]

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কেন, ব্যাখ্যা দিল দুদক

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়নি বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে তা অনুসন্ধানের জন্য আমলযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দুদক সচিব বলেন, কমিশন আইন ও বিধি অনুযায়ী কাজ করে। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগও একই প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো ভুক্তভোগী বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নিজের বক্তব্য দিতে পারেন এবং কোনো নাগরিক সংক্ষুব্ধ হলে আইনগত ব্যবস্থাও নিতে পারেন।

অনুসন্ধান শুরুর দিন দুদকের ব্রিফিংয়ে জনসংযোগ কর্মকর্তার দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে সাইদুর রহমান বলেন, ওই বক্তব্যের একটি অংশ ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ বা অনিচ্ছাকৃত ভুল।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে সংবাদ সম্মেলন করে দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আসিফ মাহমুদ। তার অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে দুদককে ব্যবহার করে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর আগে অভিযোগের কোনো প্রাথমিক ভিত্তি পাওয়া গিয়েছিল কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব বলেন, কমিশনে কোনো অভিযোগ আসার পর সেটি প্রথমে যাচাই-বাছাই কমিটির কাছে যায়। কমিটি অভিযোগ পর্যালোচনা করে একটি মতামত বা সুপারিশ দেয়। সেই প্রতিবেদন কমিশন পর্যালোচনা করার পর পরবর্তী কার্যক্রম, অর্থাৎ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অনুসন্ধান চালাতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন নথিও ইতোমধ্যে চাওয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা সম্পর্কে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে সাইদুর রহমান বলেন, অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই।

গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি, কেনাকাটাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। এ অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।

অভিযোগের আওতায় থাকা অন্য তিনজন হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

অনুসন্ধানের পরদিন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে চার ধরনের নথি চায় দুদক। এর মধ্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হওয়া সব নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত নথিপত্র রয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট স্মারকমূলে বদলি সংক্রান্ত নথিও তলব করা হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ