সম্পত্তি হস্তান্তর আইন কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আইনটি অনুমোদন না দিতে রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের মতামত নিয়ে আইনটি পুনর্বিবেচনারও দাবি করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইন নিয়ে আলোচনার সময় দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা […]
ছবি: সংগৃহীত
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আইনটি অনুমোদন না দিতে রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের মতামত নিয়ে আইনটি পুনর্বিবেচনারও দাবি করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইন নিয়ে আলোচনার সময় দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনটি কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইনটি ইতোমধ্যে সংসদে পাস হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে এতে স্বাক্ষর না করার অনুরোধ জানান তিনি।
শফিকুর রহমানের দাবি, দেশের প্রসিদ্ধ ও শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা এ আইন নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন এবং এর প্রতিবাদ করে আসছেন। সরকার ও বিএনপির প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি বলেন, অতীতে তারা কোরআন-সুন্নাহর বিপরীতে কোনো আইন না করার কথা বলেছে। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার স্বার্থে আইনটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে ফেরত পাঠানো যেতে পারে।
তার প্রস্তাব, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের প্রখ্যাত আলেম ও ইসলামি স্কলারদের নিয়ে আইনটি বিস্তারিত পর্যালোচনা করতে পারে। এরপর সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতায় আইনটি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। এ প্রক্রিয়ায় তাদের পক্ষ থেকেও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
এই আইন প্রণয়নের পেছনে সরকারের ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, তারা আইনটির প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। তাদের ধারণা, এসব আইন জনগণের চেয়ে সরকারকেই বেশি সুবিধা দেবে।
তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এমন আইন কোনো সরকারকে ভবিষ্যতে আবারও ফ্যাসিবাদী প্রবণতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
শফিকুর রহমান জানান, বিতর্কিত আইনটির প্রতিবাদে এর আগেও জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা সংসদ বর্জনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন।