ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করছে, তেহরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা বা সম্ভাব্য সমঝোতা কার্যকর কোনো ফল আনবে না। তাই পরিস্থিতি অনুকূলে থাকতেই আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন তারা। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এ অবস্থান ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে তেলআবিব। বুধবার […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করছে, তেহরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা বা সম্ভাব্য সমঝোতা কার্যকর কোনো ফল আনবে না। তাই পরিস্থিতি অনুকূলে থাকতেই আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন তারা।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এ অবস্থান ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে তেলআবিব। বুধবার ইসরায়েলি পাবলিক ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (আইপিবিসি) জানায়, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে ইরানের ভেতরে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক কর্মকর্তারা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর একটি নতুন তালিকাও তৈরি করেছেন। ওই তালিকায় ইরানের বেশ কয়েকটি তেল শোধনাগার ও জ্বালানি সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলের নীতিনির্ধারকদের ধারণা, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি তাদের জন্য কৌশলগত সুবিধা তৈরি করেছে। এজন্য তারা ভবিষ্যৎ সামরিক পদক্ষেপের সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখতে চাইছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের কাছে পাঠানো বার্তায়ও ইসরায়েল স্পষ্ট করেছে যে, প্রয়োজন হলে তারা আবারও হামলার পথে যেতে প্রস্তুত।
বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতির এই বার্তা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা ঘিরে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কাও বাড়ছে।