ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলার পর আগের পারমাণবিক আলোচনার ভিত্তি আর কার্যকর নেই বলে মন্তব্য করেছেন মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো রস হ্যারিসন। তিনি বলেন, অতীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার মূল ভিত্তি ছিল পারস্পরিক স্বার্থের ভারসাম্য। যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, আর ইরান চাইত নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক সুবিধা। তবে চলমান সংঘাত […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলার পর আগের পারমাণবিক আলোচনার ভিত্তি আর কার্যকর নেই বলে মন্তব্য করেছেন মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো রস হ্যারিসন।
তিনি বলেন, অতীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার মূল ভিত্তি ছিল পারস্পরিক স্বার্থের ভারসাম্য। যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, আর ইরান চাইত নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক সুবিধা। তবে চলমান সংঘাত সেই ভারসাম্য ভেঙে দিয়েছে।
আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হ্যারিসন বলেন, হামলার পর পরিস্থিতি বদলে গেছে, ফলে আগের মতো করে আবার আলোচনায় ফিরে যাওয়া এখন কঠিন।
তিনি আরও জানান, এই সংঘাত ইরানের অবস্থানকে আরও কঠোর করেছে এবং তারা নতুন বাস্তবতার আলোকে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন প্রভাব ফেলছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা চলাকালে ইরানে যৌথ বিমান হামলা শুরু হয়, যা বর্তমান সংঘাতের সূচনা করে।
টার্গেট করে হত্যাকাণ্ডের কৌশল প্রসঙ্গে হ্যারিসন বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সাধারণত ইরানকে আরও কঠোর অবস্থানে নিয়ে যায়—এটি অতীতেও দেখা গেছে।